Advertisement

Netaji Ashes Return: নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরানো হবে? কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ‘চিতাভস্ম’ টোকিওর রেনকোজি মন্দির থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক। এই দাবি অগণিত ভারতবাসীর। আর সেই দাবির পক্ষে দাঁড়ালেন নেতাজি কন্যা অনিতা বোস ফাফ। তিনি নেতাজির চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছেন। আর সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরানোর দাবিনেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফেরানোর দাবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Aug 2026,
  • अपडेटेड 3:47 PM IST
  • নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ‘চিতাভস্ম’ টোকিওর রেনকোজি মন্দির থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক
  • এই দাবি অগণিত ভারতবাসীর
  • তিনি সুপ্রিম কোর্টে নেতাজির চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছেন

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ‘চিতাভস্ম’ টোকিওর রেনকোজি মন্দির থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক। এই দাবি অগণিত ভারতবাসীর। আর সেই দাবির পক্ষে দাঁড়ালেন নেতাজি কন্যা অনিতা বোস ফাফ। তিনি সুপ্রিম কোর্টে নেতাজির চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছেন। আর সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ নেতাজির মেয়ে অনিতা বোস ফাফের আবেদন শুনেছেন। তাঁরা সেই আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রকে নোটিস জারি করেছে।

নেতাজি কন্যার হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর সওয়াল শোনার পরই কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চাইল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

১৯৪৫ সালের আগস্টে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু ও অন্তর্ধান ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা তত্ত্ব ও জল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নেতাজির দেহাবশেষ টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত রয়েছে। এবার সেই ‘চিতাভস্ম’ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তাঁর মেয়ে। 

অনিতা বোসের ঠিক কী দাবি? 
নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে নানা তত্ত্ব সামনে এসেছে। তবে অনিতা বোস ফাফের বক্তব্য এই বিষয়ে পরিষ্কার। তিনি মনে করেন, জাপানের রেনকোজি মন্দিরে থাকা দেহাবশেষ তাঁর বাবা নেতাজিরই। তাই তিনি চান যত দ্রুত সম্ভব সেই চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক। দেশের মাটিতে যথাযথ মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হোক। এই কারণেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন নেতাজি কন্যা। আর সেই মামলাতেই কেন্দ্রের জবাব চাইল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। 

নেতাজির অন্তর্ধান ও মৃত্যু নিয়ে ঠিক কী জানা যায়? 
১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইওয়ানের তাইপেইয়ে বিমান দুর্ঘটনায় প্রথমে আহত হন সুভাষচন্দ্র বসু। তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। তারপর দেহ দাহ করা হয়। সেই চিতাভস্ম নিয়ে যাওয়া হয় জাপানে। সেই চিতাভস্ম এখনও জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা রয়েছে, এমনটাই দীর্ঘদিন জানিয়ে এসেছে ভারত সরকার। 

Advertisement

যদিও একাংশের নেতাজি গবেষক বরাবরই এই তত্ব মানতে চান নারাজ। তাই নেতাজির অন্তর্ধান রহস্য খতিয়ে দেখতে একাধিক তদন্ত কমিশন গঠিত হয়। শাহনওয়াজ কমিটি এবং বিচারপতি জি ডি খোসলা কমিশন বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর তত্ত্বকে মান্যতা দিয়েছিল। অন্যদিকে বিচারপতি মুখার্জি কমিশন বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার মুখার্জী কমিশনের বক্তব্য মেনে নেয়নি। 

এমন পরিস্থিতিতে জাপানে থাকা চিতাভস্ম নেতাজির কি না, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ডিএনএ টেস্টের দাবিও উঠেছে। আর এহেন বিতর্কের মাঝেই নেতাজি কন্যা অনিতা চিতাভস্ম দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হলেন। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement