
কলকাতায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর কার্যালয়ে ED হানার সময়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল বাধা দেওয়ার। সেই ঘটনায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি পিটিশনের শুনানি শেষ করল সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও এন.ভি. আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ ইডি এবং অভিযুক্ত পক্ষের যুক্তি শোনার পর রায়দান স্থগিত রাখল। গত জানুয়ারি মাসে মমতার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, অভিযানের সময় তাদের তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ ও নথি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, এগুলো নিছক অভিযোগ এবং এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
কী ঘটনা ঘটেছিল?
গত ৮ জানুয়ারি বেআইনি কয়লা পাচার ও আর্থিক তছরুপের মামলার তদন্তে কলকাতায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তার মধ্যে ছিল তৃণমূল সরকারের তৎকালীন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাক-এর কার্যালয়ও। তদন্ত চলাকালীন সময়েই সেখানে পৌঁছে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। সেই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য-রাজনীতিতে।
ওই ঘটনায় ইডি এবং তৃণমূল পৃথক ভাবে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিল। ইডির বক্তব্য ছিল, সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মুখ্যমন্ত্রী নথি কেড়ে নিয়ে গিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূলের বক্তব্য ছিল, ইডির অভিযান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ভোটের আগে দলের গুরুত্বপূর্ণ নথি ও নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত ডকুমেন্টস চুরি করা হচ্ছিল বলে দাবি করে ঘাসফুল শিবির।