Advertisement

TCS-এ যৌন নির্যাতন ও ধর্মান্তকরণ? নাসিক ক্যাম্পাসে কাজ বন্ধ, কর্মীদের WFH

যৌন নির্যাতন ও জোর করে ধর্মান্তরণের অভিযোগ রয়েছে মহারাষ্ট্রের নাসিকের টিসিএস বা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের একাধিক স্টাফের বিরুদ্ধে। এমন বিতর্কের মুখে পড়ে সাময়িকভাবে কাজকর্ম স্থগিত করা হল সেই বিপিও-এর। বৃহস্পতিবার কর্মীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টিসিএস-এ কাজ বন্ধটিসিএস-এ কাজ বন্ধ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:38 AM IST
  • যৌন নির্যাতন ও জোর করে ধর্মান্তরণের অভিযোগ রয়েছে মহারাষ্ট্রের নাসিকের টিসিএস বা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের একাধিক স্টাফের বিরুদ্ধে
  • এমন বিতর্কের মুখে পড়ে সাময়িকভাবে কাজকর্ম স্থগিত করা হল সেই বিপিও-এর
  • বৃহস্পতিবার কর্মীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

যৌন নির্যাতন ও জোর করে ধর্মান্তরণের অভিযোগ রয়েছে মহারাষ্ট্রের নাসিকের টিসিএস বা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের একাধিক স্টাফের বিরুদ্ধে। এমন বিতর্কের মুখে পড়ে সাময়িকভাবে কাজকর্ম স্থগিত করা হল সেই বিপিও-এর। বৃহস্পতিবার কর্মীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভয়াবহ সব অভিযোগের কারণে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে এই বিপিও। এখান যৌন নির্যাতন, মানসিক হয়রানি এবং জোর করে ধর্মান্তকরণ করার কাজ চলত বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাটির তদন্তের জন্য গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। তারা তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

যতদূর খবর, অন্তত আটজন মহিলা কর্মী সামনে এসে দীর্ঘদিন ধরে চলা যৌন হয়রানি নিয়ে অভিযোগ করেছেন। এমনকী তাঁদের জোর করে ধর্মান্তরের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন। এই অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কর্মীদের নির্দিষ্ট খাবার খেতে বাধ্য করা হয়েছে। এমনকী ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মীয় কার্যকলাপে অংশ নিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। আর এই খবর সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সেই মতো গঠন করা হয় সিট। 

নাসিক পুলিশের কমিশনার সন্দীপ কারনিক জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তদন্তে জানা গিয়েছে যে সাতজন পুরুষ এই টিসিএস-এর বিপিও-তে একটি সংগঠিত দলের মতো কাজ করত। তারা মহিলা কর্মীদের টার্গেট করত। তাঁর কথায়, 'এই সাতজন পুরুষ কর্মী অধিকাংশ মামলায় সহ-অভিযুক্ত, যা থেকে বোঝা যায় তারা দলবদ্ধভাবে কাজ করত।'

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ মোট ৯টি এফআইআর দায়ের করেছে। যার মধ্যে একটি অভিযোগ এক পুরুষ কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। তিনি ধর্মীয় হয়রানি ও ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন।

এখনও পর্যন্ত সাতজন পুরুষ ও একজন মহিলা সহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও আরও এক মহিলা অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া পুরুষ অভিযুক্তদের নাম হল দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, শফি শেখ, আসিফ আফতাব আনসার এবং শাহরুখ শেখ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করছে তদন্তকারী দল। তাঁরা কীভাবে কাজ করত, সেটা জানার চেষ্টা চলছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement