Advertisement

Qadeemi Masjid Delhi: ভাঙা পড়বে ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ? দিল্লি হাইকোর্টে কী জানাল কেন্দ্র

দিল্লি হাইকোর্টে বিষয়টা নিয়ে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। তারা জানিয়েছে, কৃষি ভবন এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ সরকারি জায়গা। এই এলাকাগুলি শুধুমাত্র সরকারি কাজ, প্রশাসনিক কাজ এবং জনপরিষেবার কাজ হয়। সেখানে মসজিদ থাকা কাম্য নয়।

দিল্লির ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ ভাঙা পড়বে? দিল্লির ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ ভাঙা পড়বে?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Nov 2026,
  • अपडेटेड 7:37 PM IST
  • দিল্লি হাইকোর্টে বিষয়টা নিয়ে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র
  • কৃষি ভবন এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ সরকারি জায়গা
  • এই এলাকাগুলি শুধুমাত্র সরকারি কাজ, প্রশাসনিক কাজ এবং জনপরিষেবার কাজ হয়

দিল্লির কৃষি ভবনের ভিতরে রয়েছে ১০০ বছরেরও বেশি পুরনো কাদিমি মসজিদ। আর সেটা সরিয়ে ফেলতে হবে। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের অংশ হিসেবেই এই মসজিদ সরানোর পক্ষে সওয়াল করল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের যুক্তি, কেন্দ্রীয় সরকারি দফতরের চত্বরে এমন ধর্মীয় কাঠামো রাখা যায় না। এটি সরকারি সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দিল্লি হাইকোর্টে বিষয়টা নিয়ে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। তারা জানিয়েছে, কৃষি ভবন এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট কমপ্লেক্স সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ সরকারি জায়গা। এই এলাকাগুলি শুধুমাত্র সরকারি কাজ, প্রশাসনিক কাজ এবং জনপরিষেবার কাজ হয়।

কেন্দ্রের আইনজীবী নিশান্ত গৌতম আদালতে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর চত্বরে স্থায়ী ধর্মীয় কাঠামো তৈরি রাখা উচিত নয়। এটি সরকারি সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সংবাদ সংস্থা PTI সূত্রে খবর, কেন্দ্র জানিয়েছে, সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্নির্মাণের মাস্টার প্ল্যানে রয়েছে। ১২০ নম্বর প্লটে কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটের ৪ ও ৫ নম্বর ভবন নতুন করে তৈরি করা হবে। বর্তমান শাস্ত্রী ভবন ও কৃষি ভবনের জায়গায় এই নতুন ভবন তৈরি করা হবে।

কেন্দ্রের বক্তব্য, ড: রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে কৃষি ভবনের চত্বরের ভিতরে রয়েছে কাদিমি মসজিদ। যে জমিতে মসজিদটি রয়েছে, সেটি সরকারি জমি। জমিটি ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (L&DO) নিয়ন্ত্রণাধীন। কেন্দ্রের দাবি, রাজধানীর কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক এলাকায় সরকারি জমি স্থায়ীভাবে কোনও ধর্মীয় কাজের জন্য বরাদ্দ করা যায় না।

সরকার আরও জানিয়েছে, ১৯৪০ সালের ৮ নভেম্বর একটি চুক্তির মাধ্যমে মসজিদ পরিচালন কমিটিকে ওই জায়গা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই চুক্তির ফলে জমির উপর কমিটির কোনও মালিকানা বা আইনগত অধিকার তৈরি হয়নি।

সেই কারণেই মসজিদটি রেখে দেওয়া কিংবা অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিকল্প জমি দেওয়ার দাবি খারিজ করেছে কেন্দ্র।

কৃষি ভবনের আশপাশে নামাজ পড়ার জায়গা নেই, এই অভিযোগের জবাব দিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের দাবি, কৃষি ভবনের দুই কিলোমিটারের মধ্যে আরও একটি মসজিদ রয়েছে। সেটি বর্তমানে চালু রয়েছে। তাই আশপাশের এলাকায় যাঁরা নামাজ পড়তে চান, তাঁরা সেখানে যেতে পারেন।

Advertisement

কাদিমি মসজিদ পরিচালন কমিটির দায়ের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের জন্য ঐতিহাসিক মসজিদটি ভেঙে ফেলা হতে পারে, এই আশঙ্কা থেকেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কমিটি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement