Advertisement

Monsoon Systems: স্যাটেলাইট চিত্রে গোটা দেশে ঘন মেঘ, বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির অ্যালার্ট

সক্রিয় হয়েছে দু'টি ওয়েদার সিস্টেম। যার ফলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জেনে নিন ঠিক কী বলছে স্যাটেলাইট ছবি।

কোন কোন রাজ্যে ভারী বৃষ্টি?কোন কোন রাজ্যে ভারী বৃষ্টি?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Jul 2026,
  • अपडेटेड 9:32 AM IST
  • সক্রিয় হয়েছে দু'টি ওয়েদার সিস্টেম
  • যার ফলে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে
  • জেনে নিন ঠিক কী বলছে স্যাটেলাইট ছবি

ভারতে এখন ভীষণ সক্রিয় বর্ষা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে বর্ষা মরসুমের অন্যতম অ্যাক্টিভ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। কারণ, দেশের উপর দু'টি বিশাল আবহাওয়া ব্যবস্থা বা ওয়েদার সিস্টেম একসঙ্গে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। যার জেরে চলতি সপ্তাহে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

ভারতের বর্তমান বর্ষা পরিস্থিতি ধরা পড়েছে সোমবারের স্যাটেলাইট চিত্রে। সেই ছবিতে দেখা গিয়েছে, তিব্বতের মালভূমির উপর একটি বিশালাকার মৌসুমি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ এখন শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই দুই বড় ওয়েদার সিস্টেমের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আরও শক্তিশালী হচ্ছে। যার ফলে পূর্ব, মধ্য, উত্তর ও দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে।

ভারতের আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোতে থাকবে। সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প ভারতের অভ্যন্তরে টেনে নিয়ে আসবে।

স্থলভাগে প্রবেশ করার পর এই গভীর নিম্নচাপটি উত্তর ভারতের উপর বিস্তৃত সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার সঙ্গে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর ফলে ঘন মেঘ তৈরি হয়েছে। এছাড়া বিস্তীর্ণ এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই পূর্ব ভারতে বেড়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। বাংলাও ভিজছে রোজই। আর আগামী কয়েক দিনে তা ধীরে ধীরে পশ্চিম ও উত্তর ভারতের দিকে ছড়িয়ে পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

স্যাটেলাইট চিত্রে মেঘ

আজ কোন কোন রাজ্যে বৃষ্টি?
আইএমডি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অ্যাক্টিভ থাকবে বর্ষা। সেই কারণে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, ছত্তীসগঢ়, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া একটি শাক্তিশালী মৌসুমী ঘূর্ণাবর্তও তৈরি হয়েছে। যার প্রভাবে মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে তেলেঙ্গনা, কর্নাটক ও কেরলের মতো ভারতের একাধিক এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। 

Advertisement

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, তিব্বতের মালভূমির উপর গড়ে ওঠা এই বিশাল ঘূর্ণাবর্ত মৌসুমি বায়ুর উপরের স্তরের প্রবাহকে শক্তিশালী করছে। আবার অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি শক্তিশালী ‘ময়েশ্চার পাম্প’-এর মতো কাজ করছে। এটি উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাসকে দেশের অভ্যন্তরে টেনে আনছে। যখন এই দুই ওয়েদার সিস্টেম একসঙ্গে সক্রিয় হয়, তখন তারা একে অপরকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ফলে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা বেড়ে যায়। শুরু হয়ে যায় বৃষ্টিপাত।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দুই ওয়েদার সিস্টেমের প্রভাবে ইতিমধ্যেই পূর্ব, উত্তর, মধ্য এবং দক্ষিণ ভারতের একাধিক এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে। যার ফলে গোটা সপ্তাহজুড়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement