Advertisement

Flying Car: Elon Musk-এর Tesla-র মতোই উড়ন্ত গাড়ি বানালেন গ্রামের ছেলে রবি! Viral Video

Ravi Tamta flying car: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি নেই। নেই কোনও গবেষণাগারও। পুঁজিও যৎসমান্য। ভরসা শুধু ইন্টারনেট, নিজের আগ্রহ আর বছরের পর বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। আর তার মাধ্যমেই নিজের উড়ন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি বানিয়ে ফেললেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার বাসিন্দা রবি তামতা।

নিজের উড়ন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি বানিয়ে ফেললেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার বাসিন্দা রবি তামতা। নিজের উড়ন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি বানিয়ে ফেললেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার বাসিন্দা রবি তামতা।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:33 PM IST
  • নিজের উড়ন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি বানিয়ে ফেললেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার বাসিন্দা রবি তামতা।
  • । সম্প্রতি ইলন মাস্কের টেসলার ফ্লাইয়িং কার ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছিল।
  • রবির ফ্লাইয়িং কারে দামি এয়ারোপ্লেন ফুয়েল বা ইথানল লাগে না। 

Ravi Tamta flying car: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিগ্রি নেই। নেই কোনও গবেষণাগারও। পুঁজিও যৎসমান্য। ভরসা শুধু ইন্টারনেট, নিজের আগ্রহ আর বছরের পর বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। আর তার মাধ্যমেই নিজের উড়ন্ত বৈদ্যুতিক গাড়ি বানিয়ে ফেললেন উত্তরাখণ্ডের আলমোড়ার বাসিন্দা রবি তামতা। গাড়ির নাম দিয়েছেন 'হাপিদা স্কাইনেক্স' (HAPIDA SKYNeX)। গত অগাস্টে সফলভাবে উড়েছে এই গাড়ি।  

পাহাড়ের দুর্গম রাস্তায় মানুষের কষ্ট দেখেই এই উড়ন্ত গাড়ির ভাবনা
রবি কাফলিখান নামের এক পাহাড়ি গ্রামে থাকেন। জাগেশ্বর ধামের কাছে। এই এলাকায় পাহাড়ি পথে যাতায়াত করা বেশ কঠিন। অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যেতেও অনেক সময় লাগে। এই সমস্যা থেকেই ফ্লাইয়িং কার নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। 

কীভাবে উড়বে এই গাড়ি?
রবির তৈরি প্রোটোটাইপটি বিদ্যুৎচালিত। এতে এক জনের বসার জায়গা রয়েছে। হালকা কাঠামো। স্বচ্ছ ককপিট কভার। একাধিক মোটর ও প্রপেলারের সাহায্যে গাড়িটি সোজা উপর দিকে উঠতে এবং নিচে নামতে পারে। অর্থাৎ, এর জন্য প্রচলিত বিমানের মতো রানওয়ের প্রয়োজন নেই। হেলিকপ্টারের মতোই। কিন্তু মজার বিষয় হল, ব্যাটারির সাহায্যে চলে। চার্জ দিলেই হবে। দামি এয়ারোপ্লেন ফুয়েল বা ইথানল লাগে না। 

ইন্টারনেট দেখে বানানো
রবি গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। পরে নৈনিতাল ক্যাম্পাস থেকে আর্টসে স্নাতক। তাঁর বাবা হরিশ রাম পেশায় মেকানিক। তাই ছোট থেকেই যন্ত্রপাতি নিয়ে আগ্র ছিলই। কিন্তু স্কুল কলেজে সায়েন্স বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েননি। সেই ডিগ্রি ছাড়াই যে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন, তা বলাই বাহুল্য। ১৩ বছরের চেষ্টায় তৈরি হয় এই প্রোটোটাইপ।

আগেও তৈরি করেছেন নানা যন্ত্র
মোবাইল চার্জ করতে পারে এমন জুতো, দৃষ্টিহীনদের জন্য স্মার্ট লাঠি, বাঁশ চেরাইয়ের যন্ত্র এবং আগুন নেভানোর সরঞ্জামও তৈরি করেছেন এর আগে। পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত যাতায়াত ও এমার্জেন্সি চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই উড়ন্ত গাড়ি কাজে লাগতে পারে বলে মত তাঁর। তবে এটি প্রোটোটাইপ মাত্র। প্রোডাকশন করতে অনেক টাকা ও নিয়মকানুনের ব্যাপার। সম্প্রতি ইলন মাস্কের টেসলার ফ্লাইয়িং কার ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছিল। আমাদের দেশেই যে হাজারো ট্যালেন্টেড স্ব-প্রশিক্ষিত বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ার রবির মতোই কাজ করে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য।  

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement