Advertisement

Vaishno Devi Special Train: চলন্ত ট্রেন থেকে খুলে গেল বগি, বৈষ্ণদেবী স্পেশালে আতঙ্কে যাত্রীরা

রেলস্টেশনে বড়সড় বিপত্তি। শনিবার নিউদিল্লি-শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্পেশাল ট্রেনের একটি কোচ হঠাৎ পাশেরটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, ১২০০ যাত্রী ছিলেন ওই কোচে।

বৈষ্ণোদেবী ট্রেন বৈষ্ণোদেবী ট্রেন
Aajtak Bangla
  • লুধিয়ানা,
  • 06 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:18 PM IST
  • নিউদিল্লি-শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্পেশাল ট্রেনে বিপত্তি
  • একটি কোচ হঠাৎ পাশেরটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়
  • ১২০০ যাত্রী ছিলেন ওই কোচে

পঞ্জাবের লুধিয়ানা রেলস্টেশনে বড়সড় বিপত্তি। শনিবার নিউদিল্লি-শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্পেশাল ট্রেনের একটি কোচ হঠাৎ পাশেরটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, ১২০০ যাত্রী ছিলেন ওই কোচে। বিকট একটি শব্দে কেঁপে ওঠে ট্রেনের ওই কামরা। তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার মধ্যরাত আড়াইটে নাগাদ নয়াদিল্লি-শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা স্পেশাল ট্রেনটি রাজধানী থেকে যাত্রা শুরু করে। ট্রেনটি সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে লুধিয়ানা রেলস্টেশনে পৌঁছয়। নির্ধারিত বিরতির পর হঠাৎ একটি স্লিপার কোচ থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। প্রত্য়ক্ষদর্শীদের মতে, শব্দ এতটাই জোরাল ছিল, যাত্রীরা একটি বড় বিস্ফোরণের আশঙ্কা করেছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই দেখা যায়, কোচের সংযোগকারী অংশটি ভেঙে যায়। কামরাটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ট্রেনের যাত্রীরা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে কামরা থেকে নেমে পড়তে শুরু করেন। 

গোটা ঘটনায় স্টেশনে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। কিছুক্ষণের জন্য স্টেশনে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। তবে স্বস্তির বিষয় ছিল, ট্রেনটি খুব কম গতিতে চলছিল এবং সবেমাত্র স্টেশন ছেড়েছিল। ট্রেনটি হাইস্পিডে চলার সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটলে আরও বড় বিপত্তি হয়ে পারত। ব্যাপক প্রাণহানিও এড়ানো যেত না। 

খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন রেল কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ ও ট্রেনের অন্যান্য অংশ পরিদর্শন করে একটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রেল। 

তবে রেল জানায়, বিস্ফোরণ নয়, কাপলার ভেঙে যাওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। লুধিনায়ার ADCP সমীর ভার্মা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। তিনি জানান,  প্রাথমিক তদন্তে কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের চিহ্ন মেলেনি। 

সমীর ভার্মার মতে, ট্রেনটি স্টেশন ছাড়ার সময়ে ২টি কোচকে সংযোগকারী কাপলারটি ভেঙে যায়। এর ফলে একটি কোচ অন্যটি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেছেন, 'এটি একটি যান্ত্রিক দুর্ঘটনা ছিল এবং কোনও বিস্ফোরণ ঘটেনি।' 

ফিরোজপুর ডিভিশনের DRM সঞ্জীব কুমার বলেছেন, 'একটি রেল কোচের সাধারণ আয়ু প্রায় ২৫ বছর ধরা হয়। এই ঘটনায় জড়িত কোচটির বয়স মাত্র ১৫ বছর ছিল। কোনও যান্ত্রিক অংশ বিকল হলে বিকট শব্দ হওয়াটা স্বাভাবিক। তাই শুধু শব্দের উপর ভিত্তি করে কোনও সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না। পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত হবে।'

Advertisement

বৈষ্ণোদেবীগামী ও ট্রেনের যাত্রীদের অভিযোগ, কোচটি নয়াদিল্লি রেলস্টেশন থেকে ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। কোচটির অবস্থা দেখে আগেই তাদের সন্দেহ হয়েছিল। অনেকেই বলেছেন, কোচটি বেশ পুরনো এবং তাদের আশঙ্কা ছিল, এতে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকতে পারে। তাদের আশঙ্কাই সত্যি হয়। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement