
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম দিল্লি সফরে শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবারই তিনি রাজধানী শহরে পৌঁছে গিয়েছেন। ২ দিনের এই সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। সাক্ষাৎ হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও।
কার কার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী?
> বৃহস্পতিবার দিল্লি পৌঁছে রাতেই শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। তাঁর বাসভবনেই চলে বৈঠক। রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও BSF-কে জমি দেওয়ার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই নেতার মধ্যে বৈঠক চলে ১ ঘণ্টা।
> সাড়ে ১০টায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে যাবেন শুভেন্দু। সেখানে বৈঠক রয়েছে তাঁদের।
> এরপর বেলা পৌনে ১২টায় শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছে যাবেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি সাক্ষাৎ করবেন দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে।
> দুপুর ৩টে নাগাদ উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন শুভেন্দু।
> বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী যাবেন ১০ লোককল্যাণ মার্গে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী।
এরপর এদিন রাতেই কলকাতার উদ্দেশে তিনি রওনা দিতে পারেন বলে খবর।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার বেলুড় মঠেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তিনি মঠে পৌঁছন। মঠের প্রবেশদ্বারে তাঁকে স্বাগত জানান রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রবীণ সন্ন্যাসীরা। সাষ্টাঙ্গে তাঁকে প্রণাম করতেও দেখা যায়। মঠে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা ও স্বামী বিবেকানন্দের মন্দিরে প্রণাম জানান। এরপর তিনি পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করেন এবং আধ্যাত্মিকভাবে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত কক্ষে গিয়ে তিনি কিছুক্ষণ সময় কাটান এবং মঠের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখেন। পরে তিনি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য প্রার্থনা জানান। এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে প্রশাসনিক ও আধ্যাত্মিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।