Advertisement

খুনের পর চারদিন কেতনের মোবাইল নিয়ে কী করেছিল সিয়া? উত্তর খুঁজছে পুলিশ

কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে সামনে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এবার তদন্তে উঠে এসেছে, কেতনকে হত্যার পর তাঁর মোবাইল ফোন কয়েক দিন ধরে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে সেই ফোন কেতনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ফোন থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুনে গ্রামীণ পুলিশ।

সিয়া গোয়েল।-ফাইল ছবিসিয়া গোয়েল।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 01 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:12 PM IST
  • কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে সামনে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
  • এবার তদন্তে উঠে এসেছে, কেতনকে হত্যার পর তাঁর মোবাইল ফোন কয়েক দিন ধরে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল।

কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে সামনে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এবার তদন্তে উঠে এসেছে, কেতনকে হত্যার পর তাঁর মোবাইল ফোন কয়েক দিন ধরে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর কাছেই ছিল। পরে সেই ফোন কেতনের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে ফোন থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুনে গ্রামীণ পুলিশ।

মামলায় অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। সরকারি কৌসুলি আদালতে জানিয়েছেন, তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কেতনের মোবাইল ফোনে কোনও ধরনের কারচুপি হয়েছে কি না, তা ফরেনসিকভাবে পরীক্ষা করা। ফোনটি সিয়ার কাছে থাকা অবস্থায় কোনও তথ্য, বার্তা, কল রেকর্ড বা অন্য কোনও ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

এদিকে, বুধবার তদন্তের অংশ হিসেবে চেতন চৌধুরীকে নিয়ে লোহগড় দুর্গে ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণ (ক্রাইম রিকনস্ট্রাকশন) করে পুলিশ। তদন্তকারীরা অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনার প্রতিটি ধাপ পুনরায় যাচাই করেন। এর আগে রবিবার সিয়া গোয়েলকেও একই স্থানে নিয়ে গিয়ে একটি ডামির সাহায্যে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল।

পুলিশের এক আধিকারিক জানান, তদন্তে জানা গেছে যে পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পর কেতনের মোবাইল ফোন সিয়ার দখলে আসে। পরে সেটি তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলেও, ওই সময়ের মধ্যে ফোনের তথ্যের কোনও পরিবর্তন করা হয়েছে কি না, তা এখন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করছেন।

এর আগে কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর ছেলে বারবার জানিয়েছিল যে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর দাবি, সিয়া প্রায়ই চেতনের কথা বলতেন, যা নিয়ে কেতন উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

ডিজিটাল প্রমাণ, মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং ঘটনাস্থলের পুনর্নির্মাণ, এই তিনটি দিককে সামনে রেখেই এখন তদন্ত এগোচ্ছে। তদন্তকারীদের আশা, এই প্রমাণগুলিই মামলার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement