Advertisement

SFI Flag হাতে Viral এই মেয়ে কে? জানুন দামাল নেত্রীর পরিচয়

ছবিটিতে ধরা পড়েছে একটি মুহূর্ত। ছবির নেপথ্যে রয়েছেন এমন এক ছাত্রী, যিনি এখন গোটা দেশে ভাইরাল। বাম রাজনীতির মুখ।

এসএফআই পতাকা হাতে পবিত্রাএসএফআই পতাকা হাতে পবিত্রা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:09 PM IST
  • এসএফআইয়ের পতাকা হাতে ভাইরাল।
  • জানুন পবিত্রার পরিচয়।

একটা ছবি। অষ্টাদশের উড়ান। হাতে এসএফআইয়ের পতাকা। দৌড়চ্ছেন এই তরুণী। ছবিটা দিল্লির। পুলিশ যখন বিক্ষোভকারীদের আটক করতে এগোচ্ছে, তখন দৌড়চ্ছেন ওই দামাল মেয়ে। এই তরুণী কে? কী তাঁর পরিচয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

প্রতিবাদী এই তরুণীর নাম পবিত্রা পুঝাক্কাল। ছবিটি ভাইরাল হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাধারণ এক ছাত্রী। এখন বাম ছাত্র আন্দোলনের মুখ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হংসরাজ কলেজের পড়ুয়া পবিত্রা। এসএফআই করেন। কেরলের বাসিন্দা। পরিবারও বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

কে এই তরুণী

কেরলের পালাক্কাড় জেলার বাসিন্দা পবিত্রার বয়স ২০ বছর। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হংসরাজ কলেজে নৃতত্ত্ব নিয়ে স্নাতকস্তরের তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন। একটি ইংরেজি দৈনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত প্রায় দু'বছর ধরে এসএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত পবিত্রা। ১১ অক্টোবর দিল্লিতে এসএফআইয়ের মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। মিছিল শুরু হওয়ার আগেই বিক্ষোভকারীদের আটক করতে শুরু করে পুলিশ। সেখানে ছিলেন পবিত্রাও। হাতে এসএফআইয়ের পতাকা নিয়ে দৌড়চ্ছেন। হয়ে ওঠেন প্রতিবাদের মুখ।

কেন দৌড়চ্ছেন

পবিত্রা জানান,'কী ঘটছে, তা আমি বুঝতেই পারিনি। দুপুরে একেজি ভবন থেকে আমাদের মিছিল শুরু হয়েছিল। যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার পথে কয়েক জন পুলিশকর্মীকে চিৎকার করে বলতে শুনি, মহিলা পুলিশকর্মীদের ডাকো। তারপরই আমরা দৌড়তে শুরু করি। আমার হাতেই যে পতাকাটা ছিল, তা খেয়াল করিনি'।

তিনি যোগ করেন,'জুলাই মাসের বিক্ষোভের সময় আমি এখানে থাকতে পারিনি। ছুটিতে কেরলে ছিলাম। কিন্তু এবার জানতাম, আমাকে এখানে থাকতেই হবে। এই ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য কিছু করার সময় এসেছে'।

ছবিটি কোথাকার

পবিত্রা জানান, যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি আকাশবাণী ভবনের কাছে তোলা। তাঁর কথায়,'একে জি ভবন থেকে বেরিয়ে আমরা যন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছিলাম। আকাশবাণী ভবনের কাছে আমার দৌড়নোর ছবিটি তোলা হয়। সেখান থেকেই আমাদের আটক করা হয়েছিল'।

ওইটুকু রাস্তার মধ্যেই তিন থেকে চারটি ব্যারিকেড পেরোতে হয়েছিল বলে জানান পবিত্রা। তিনি বলেন,'প্রতিটি ব্যারিকেডের কাছে পুলিশ লোকজনকে আটক করছিল। যাকে সামনে পাচ্ছিল, তাকেই ধরে নিয়ে যাচ্ছিল'।

Advertisement

রবিবার ফের প্রতিবাদে যোগ দিতে বেরিয়েছিলেন পবিত্রা। সে দিনও তাঁকে আটক করা হয়।

পরিবারও বাম ঘরানার

পবিত্রাকে ঘিরে আগ্রহের অন্যতম কারণ তাঁর পারিবারিক পরিচয়ও। মা পালাক্কাড়ে সিপিএমের সদস্য। পবিত্রার দাদু কেভি চন্দ্রনও ছিলেন বাম নেতা। মানকারা পঞ্চায়েতের প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement