
আটক নয়, বরং গ্রেফতারই করা হয়েছে তিন CJP নেতাকে। মঙ্গলবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র তিন নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শিন্দেকে যন্তর মন্তর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল, তাঁদের আটক করা হয়েছে। পরে সিজেপির আইনজীবী রত্না সিং জানান, গ্রেফতার করা হয়েছে ওই নেতাদের। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট অর্থাৎ আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই ওই ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে যন্তর-মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে পুলিশ সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সংগঠনের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেছিল।
CJP-র আইনি প্রধান রত্না সিং এক্স পোস্টে লেখেন, "এইমাত্র খবর পেলাম সৌরভ, আশুতোষ এবং অজিঙ্ককে এক ঘণ্টার মধ্যে মন্দির মার্গ থানায় এসইএম-এর সামনে হাজির করা হবে। ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হতে চলেছে।"
অন্যদিকে, বুধবার সকালে ৮টা নাগাদ দিল্লির মন্দির মার্গে এক ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে পেশ করা হয় ৩ নেতাকে। তাঁদের ৫ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, FIR-এ শান্তি বজায় রাখার জন্য পূর্বে স্বাক্ষরিত একটি শান্তিচুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের ধারাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার সিজেপি কর্মীরা যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ করে স্লোগান দেওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। যদিও সোমবার থেকেই কেন্দ্র স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, যন্তর মন্তর এলাকায় কোনও বিক্ষোভ দেখানো চলবে না।
CJP-র দাবি, তাদের প্রায় ১১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আটক বিক্ষোভকারীদের দ্বারকার জাফরপুর কালান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিজেপি-র কিছু কর্মী বাইরে জড়ো হওয়ার পর থানার ভেতরে ও বাইরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা দীপকে এই পদক্ষেপকে যন্তর মন্তরের ওপর তাদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত তালিকা থেকে যন্তর মন্তরকে বাদ দেওয়া হলেও তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে শনিবার দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল দীপক, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। যন্তর মন্তর ২.০-এর বিক্ষোভের দিন দিল্লিতে পৌঁছানোর পর তাঁদের আটক করা হয়। যদিও পরে তিনজনকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।