Advertisement

স্ত্রীকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে ৫০ হাজারে বিক্রি, একাধিকবার গণধর্ষণ, ভয়াবহ ঘটনা গুজরাতে

গুজরাতের বানাসকাঁঠা জেলার পালানপুর পশ্চিম থানা এলাকায় এক ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, নিজের স্ত্রীকে অপছন্দ করায় মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁকে অন্যদের হাতে বিক্রি করে দেন এক ব্যক্তি। পরে ওই তরুণীকে বন্দি করে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় স্বামী-সহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 27 May 2026,
  • अपडेटेड 11:11 AM IST
  • গুজরাতের বানাসকাঁঠা জেলার পালানপুর পশ্চিম থানা এলাকায় এক ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা সামনে এসেছে।
  • নিজের স্ত্রীকে অপছন্দ করায় মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁকে অন্যদের হাতে বিক্রি করে দেন এক ব্যক্তি।

গুজরাতের বানাসকাঁঠা জেলার পালানপুর পশ্চিম থানা এলাকায় এক ভয়াবহ অপরাধের ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, নিজের স্ত্রীকে অপছন্দ করায় মাত্র ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁকে অন্যদের হাতে বিক্রি করে দেন এক ব্যক্তি। পরে ওই তরুণীকে বন্দি করে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় স্বামী-সহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্তের নাম নিকেশ পটেল। তিনি গণেশপুরা এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৯ মে তিনি নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন এবং নিজেকে উদ্বিগ্ন স্বামী হিসেবে তুলে ধরেন। কিন্তু তদন্ত এগোতেই তাঁর বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট অফ পুলিশ জিগনেশ গামিতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়। জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েন নিকেশ পটেল। পুলিশকে তিনি জানান, স্ত্রীর প্রতি বিরক্তি থেকেই তিনি কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে মিলে তাঁকে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। তদন্তে আরও জানা যায়, পুরো ঘটনাটি আগেই পরিকল্পিত ছিল।

এরপর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে নির্দিষ্ট স্থান থেকে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়ার পর ওই নারী ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানান। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে বন্দি করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর সোনার গয়নাও খুলে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় নিকেশ পটেলের সঙ্গে জড়িত ছিল সঞ্জয় ঠাকোর, অশোক ঠাকোর এবং সচিন দরবার-সহ আরও কয়েকজন। তদন্তে উঠে এসেছে, ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ওই মহিলাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে একটি নির্জন স্থানে অন্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে মানবপাচার, গণধর্ষণ, ডাকাতি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সাতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তারা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

Advertisement

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই গুজরাতজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজের স্বামীর হাতেই এমন ভয়াবহ প্রতারণা ও নির্যাতনের ঘটনায় হতবাক তদন্তকারীরাও। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement