Advertisement

Early Winter Update: উত্তর ভারতে কমল তাপমাত্রা, এবার কি বাংলায় আগেভাগেই শীত?

সাম্প্রতিক তাপমাত্রা কমার সঙ্গে এল নিনোর সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই বলে মত আবহবিদের। এটিকে আগাম শীতের আগমন বলেও মনে করা হচ্ছে না। বরং ভারতে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় থাকা নিম্নচাপের জেরেই বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাবেই কমেছে তাপমাত্রা।

আবহাওয়ার খবরআবহাওয়ার খবর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 30 Sep 2026,
  • अपडेटेड 10:58 PM IST
  • তাপমাত্রা কমার সঙ্গে এল নিনোর সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই।
  • এটা শীতের আগাম ইঙ্গিত নয়।

এসি বন্ধ। ফ্যানও চলছে ধীরে। উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায় নেমেছে পারদ। তা হলে আচমকা আবহাওয়া বদল কি আগাম শীতের ইঙ্গিত, নাকি গরমের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি? এই ঠান্ডা হাওয়া কি ঢুকে পড়বে বাংলায়? রবিবার দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে হয়েছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৫ বছরে সেপ্টেম্বর মাসে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২০০১ সালের পর সেপ্টেম্বরে এতটা কম তাপমাত্রা আর দেখা যায়নি। টানা কয়েক দিন বৃষ্টি এবং মেঘলা আকাশের পর আচমকা রাতের তাপমাত্রার এই পতন দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন, এবার দেশে আগেভাগেই শীত পড়ছে? 

বঙ্গোপসাগর থেকে স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসা একটি গভীর নিম্নচাপের কারণে সম্প্রতি দেশের বিস্তীর্ণ অংশে টানা বৃষ্টি হয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় ছিল। উত্তর ভারতে বর্ষা বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল এবং উত্তর ভারতের সমতল এলাকায় পশ্চিমী বায়ুর প্রভাব বাড়তে শুরু করে। টানা মেঘলা আকাশ, বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প এবং অবিরাম বৃষ্টির কারণে দিনের বেলা ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়তে পারেনি। ফলে উত্তর ভারতের বেশ কিছু এলাকায় অস্বাভাবিক ঠান্ডা অনুভূত হয়েছে।

বাংলায় কি আগাম ঠান্ডা?

আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানালেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে ইতিমধ্যেই বরফপাত হয়েছে উত্তরাখণ্ডে। উত্তর ভারতে ঠান্ডার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বাংলায় হঠাৎ করে ঠান্ডা পড়বে না। অক্টোবরের শুরুতে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভোর ও মধ্যরাতে তাপমাত্রা পড়তে থাকবে। তবে দিনের বেলায় থাকবে গরম। কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল। আর অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বর্ষা ফিরে যাওয়ার পর কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঠান্ডা অনুভূত হবে। কিন্তু এখনই বলা সম্ভব নয় যে আগাম ঠান্ডা পড়বে।

এল নিনোর প্রভাবে বেশি ঠান্ডা?

না। এই মুহূর্তে দিল্লির অস্বাভাবিক ঠান্ডা রাতকে আগাম শীত হিসেবে দেখার কারণ নেই। এর সঙ্গে এল নিনোরও সরাসরি কোনও যোগ নেই। দিল্লিতে সেপ্টেম্বরে পারদ এতটা নেমে গেলেও এখনই শীতের আগমন ধরে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। 

Advertisement

বাংলায় এল নিনোর কী প্রভাব?

আবহবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কার কথায়,'এল নিনো এলেও পূর্ব ভারতে ঠান্ডার প্রভাব থাকে না। ঠান্ডার প্রভাব বেশি থাকে পশ্চিম ভারতে। আর বরফও বেশি পড়ে পশ্চিম হিমালয়ে। উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে সেই ঠান্ডার প্রভাব পড়ে। বাংলায় ঠান্ডা কম থাকার কারণ বঙ্গোপসাগরে থাকা উচ্চচাপ। ফলে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে এখানকার বাতাসে। সে কারণে উত্তুরে হাওয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঠান্ডা থাকে। কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঠান্ডার তেমন প্রভাব থাকে না'।
 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement