Advertisement

Working Day Rule: সপ্তাহে ৪ দিন কাজ, ৩ দিন আরাম; নয়া শ্রম আইনের নিয়মগুলি জানুন

বেতন, পেনশন, গ্র্যাচুইটি এবং কর্মসংস্কৃতি সম্পর্কিত বিষয়সহ বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন শ্রম আইনের অধীনে সমস্ত নিয়মকানুন বলা হয়েছে। একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হল কার্যদিবস, যা বেশ লক্ষণীয়।

অফিসে কাজঅফিসে কাজ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 9:12 PM IST

বেতন, পেনশন, গ্র্যাচুইটি এবং কর্মসংস্কৃতি সম্পর্কিত বিষয়সহ বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন শ্রম আইনের অধীনে সমস্ত নিয়মকানুন বলা হয়েছে। একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হল কার্যদিবস, যা বেশ লক্ষণীয়।

কার্যদিবসের নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে, যার ফলে কর্মচারীরা সপ্তাহে দু'দিনের পরিবর্তে মাত্র চার দিন কাজ করে তিন দিন ছুটি পাবেন। তবে, এটি কেবল তখনই সম্ভব হবে যদি কোম্পানি এই নিয়মটি কার্যকর করে।

কিন্তু এর বিনিময়ে কর্মীদের বেশি সময় কাজ করতে হবে। যদি সপ্তাহে তিন দিন ছুটি নেন, তাহলে প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে। ফলে, কর্মীদের মোট কর্মঘণ্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি হবে না।

শ্রম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিয়মটি বাধ্যতামূলক নয়, অর্থাৎ প্রতিটি কোম্পানিকে চার দিনের কর্মপদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে না। এটি কেবল তখনই বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, যদি কোম্পানি এবং কর্মচারী উভয়েই এতে সম্মত হয়। কোনও নিয়োগকর্তাই কর্মচারীদের ওপর এই ব্যবস্থাটি জোর করে চাপিয়ে দিতে পারবেন না।

নতুন নিয়মে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্তও আরোপ করা হয়েছে। কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, কর্মচারীদের সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে না হয়। যদি ওভারটাইমের প্রয়োজন হয়, তবে ওভারটাইম বাবদ পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করতে হবে।

পেশাগত সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ বিধিমালা ২০২৬ দৈনিক কর্মঘণ্টার পরিবর্তে সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টার উপর গুরুত্ব আরোপ করে। এর ফলে কোম্পানিগুলো শিফট ও কাজের সময়সূচী নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও বেশি নমনীয়তা পাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল, হোটেল, খুচরো ব্যবসা, পরিবহন, লজিস্টিকস এবং উৎপাদন খাতের মতো ক্ষেত্রগুলোর জন্য এই মডেলটি সহজ হবে না। এই ক্ষেত্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা এবং কর্মী প্রয়োজন, তাই চার দিন কাজ ও তিন দিন ছুটির ব্যবস্থা উপযুক্ত হবে না।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement