Advertisement

Winter 2026 Prediction: এ বছর শীতকালেও ফ্যান চালাতে হতে পারে? পূর্বাভাস বেশ উদ্বেগের

দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওসিয়ান ইনফর্মেশন সার্ভিসেস-এর পূর্বাভাস, চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এল নিনো পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে। যার জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ গরম, দুর্বল বর্ষা ও জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে।  

এল নিনো পরিস্থিতির জেরে শীতকালেও তাপমাত্রা বেশি থাকতে পারে: PTI ফাইল ছবিএল নিনো পরিস্থিতির জেরে শীতকালেও তাপমাত্রা বেশি থাকতে পারে: PTI ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:23 PM IST
  • ২০২৭ সাল হতে চলেছে অন্যতম উষ্ণ বছর
  • চলতি বছরে শীত কেমন পড়তে পারে?
  • ভারতে কেমন গরম পড়বে ২০২৭ সালে?

এল নিনো (El Nino) ২০২৬ সালে পিছু ছাড়বে না। ২০২৭ সালেও জলবায়ুতে দাপট দেখাবে এই পরিস্থিতি। যার নির্যাস, ভারত সহ এশিয়ার একটা বড় অংশেই ২০২৭ সালে ভয়াবহ গরম পড়বে। ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়ার হাওয়া অফিস সতর্ক করে দিয়েছে, গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির উপরে থাকতে পারে। ২০২৭ সাল হতে চলেছে ইতিহাসে অন্যতম উষ্ণ বছর।

২০২৭ সাল হতে চলেছে অন্যতম উষ্ণ বছর

বিভিন্ন আবহাওয়া এজেন্সি জানাচ্ছে, ২০২৭ সালের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এল নিনো-র জেরে চরম খারাপ জলবায়ু হবে। তীব্র গরম, কম বৃষ্টিপাত ও দীর্ঘদিন ধরে খরার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রেও একই সতর্কবার্তা প্রযোজ্য। দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওসিয়ান ইনফর্মেশন সার্ভিসেস-এর পূর্বাভাস, চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এল নিনো পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছবে। যার জেরে দক্ষিণ এশিয়ায় ভয়াবহ গরম, দুর্বল বর্ষা ও জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে।  দ্য মেটিয়োরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশনও জানাচ্ছে, এই বছরের শেষের দিকে এল নিনো পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে।

চলতি বছরে শীত কেমন পড়তে পারে?

এল নিনোর প্রভাব পড়বে শীতকালেও। এই বছর উষ্ণ শীত কাটাতে হবে। কারণ, শীতকালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশি থাকবে গড় তাপমাত্রা। কিছু জলবায়ু মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি এল নিনো-র তীব্রতা ২.৫ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। তা হলে এটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী, এমনকি সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পর্বও হতে পারে। দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা আরব সাগরের উপর এল নিনোর প্রভাব পড়লে আগামী গ্রীষ্ম আরও তীব্র হতে পারে।  এল নিনো এখনও গঠনের পর্যায়ে রয়েছে এবং ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছতে পারে এবং ২০২৭ সালের মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত এর প্রভাব বজায় থাকতে পারে। এই দীর্ঘস্থায়ী উষ্ণতার ফলে ২০২৬-২৭ সালের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উষ্ণ হতে পারে। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে এল নিনো দুর্বল হয়ে নিরপেক্ষ অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।

Advertisement

ভারতে কেমন গরম পড়বে ২০২৭ সালে?

ভারতের ক্ষেত্রে এল নিনো পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে, কারণ এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে বর্ষাতেও। যদিও এর মানে সব সময় যে খরা পরিস্থিতি হবে, তা নয়। কোথাও কম বৃষ্টি, কোথাও বেশি তো কোথাও অতি বৃষ্টি। কিন্তু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই রকম জলবায়ুর জেরে অনে এলাকায় মাটি শুকনো থাকতে পারে, ফলে জলের সঙ্কট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।  

Read more!
Advertisement
Advertisement