Advertisement

জুবিন গর্গ মামলায় গতি, ৭ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট, ৮ জুন থেকে মূল বিচার

অভিযুক্তদের মধ্যে প্রধান সংগঠক শ্যামকানু মহন্ত, গায়কের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, দুই ব্যান্ড সদস্য, এক আত্মীয় এবং দুই নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ধারা প্রযোজ্য হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 28 May 2026,
  • अपडेटेड 10:37 AM IST
  • অসমিয়া সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের মৃত্যুর মামলায় মঙ্গলবার একটি বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত ৭ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছে।
  • আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ৮ জুন থেকে মামলার মূল বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হবে এবং প্রতিদিন শুনানি চলবে।

অসমিয়া সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের মৃত্যুর মামলায় মঙ্গলবার একটি বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত ৭ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ৮ জুন থেকে মামলার মূল বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হবে এবং প্রতিদিন শুনানি চলবে।

সরকারি আইনজীবী জিয়াউল কামার জানান, বিচারক শর্মিলা ভূঁইয়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো পড়ে শোনান। প্রত্যেক অভিযুক্ত নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। আদালত এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

আইনজীবী আরও জানান, আজ থেকে আর কোনও প্রাথমিক বা বিবিধ শুনানি হবে না। সরাসরি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে ৮ জুন থেকে। একই সঙ্গে প্রসিকিউশনকে একবারেই সাক্ষীদের তালিকা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই তালিকা অনুযায়ী সাক্ষীদের ডাকা হবে।

গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে সাঁতার কাটতে গিয়ে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয় জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর। তিনি উত্তর-পূর্ব ভারত উৎসবে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন।

এই মামলায় মোট সাতজন বর্তমানে জেলে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অবহেলাজনিত মৃত্যু এবং অপরাধমূলক নরহত্যা সংক্রান্ত ধারা।

অভিযুক্তদের মধ্যে প্রধান সংগঠক শ্যামকানু মহন্ত, গায়কের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, দুই ব্যান্ড সদস্য, এক আত্মীয় এবং দুই নিরাপত্তাকর্মী রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ধারা প্রযোজ্য হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে অসম পুলিশের সিআইডি একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে ৬০টিরও বেশি এফআইআর-এর ভিত্তিতে তদন্ত চালায়। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর পুলিশের পৃথক তদন্তে জানানো হয়েছে, ঘটনায় কোনো অসৎ উদ্দেশ্যের প্রমাণ মেলেনি এবং এটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement