প্রশ্ন উঠছে। ক্ষোভও জমছে। আর সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়েই এবার নতুন প্রজন্মকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিবাদের ভাষাকে অস্বীকার না করে, প্রশ্ন করার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েই মনে করিয়ে দিলেন দায়িত্বের কথাও। তাঁর বার্তায় তাই একদিকে যেমন তরুণ প্রজন্মের স্বাধীন চিন্তার স্বীকৃতি, অন্যদিকে তেমনই রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট পাঠ। কারণ স্বাধীনতা যেমন এক প্রজন্মের লড়াইয়ের ফসল, তেমনই আত্মনির্ভর ভারতের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্বও আজকের প্রজন্মের কাঁধে। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বরং নাম না করে তাদের ভাষাতেই যেন খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।