‘ভোট চুরি’ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফের সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, একদিকে দেশের পুলিশ, ITBP, CRPF এবং সাধারণ মানুষ রয়েছেন, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের কয়েক জন সদস্য। এই আধিকারিকরা ‘ভোট চুরি’ করে দেশকে কব্জা করার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেন তিনি। রাহুলের দাবি, প্রায় ৫০ শতাংশ পুলিশকর্মী তাঁদের জানাচ্ছেন যে, তাঁদের আন্দোলন সঠিক পথে এগোচ্ছে এবং তা চালিয়ে যাওয়া উচিত। তিনি রাস্তায় ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েনেরও দাবি জানান। জ্ঞানেশ কুমারকে নিরাপত্তা দেওয়া প্রসঙ্গে রাহুল বলেন, তাঁকে যত বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হবে, ততই তাঁর ‘নিয়ন্ত্রক’-এর কাছে পৌঁছনো সহজ হবে। তাঁর অভিযোগ, তরুণদের মারধর করার নির্দেশ পেয়ে পুলিশকর্মীদের একাংশ অসন্তুষ্ট। একই সঙ্গে, আরএসএস সদস্যদের অবাধে চলাফেরার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।