Advertisement

Rath Yatra 2026 Exact Timing: রথের রশিতে কখন টান দেওয়া শুভ? জানুন জগন্নাথদেবের রথযাত্রার সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট

Rathyatra Utsav: বিশেষ তিথিতে ধুমধাম করে রথযাত্রার উৎসব পালিত হয় পুরী, মাহেশ, ইস্কনের মন্দিরে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত মন্দিরে ও বনেদি বাড়িতে জগন্নাথদেব আছেন, সেখানেও ঘটা করে পালন করা হয় এই উৎসব।

রথযাত্রার নির্ঘণ্টরথযাত্রার নির্ঘণ্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 14 Jul 2026,
  • अपडेटेड 10:48 AM IST

রথযাত্রা ভারতীয়দের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই উৎসবের বিশেষ তাৎপর্য আছে। ভারতের ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড,পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসব বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। বিশেষ তিথিতে ধুমধাম করে রথযাত্রার উৎসব পালিত হয় পুরী, মাহেশ, ইস্কনের মন্দিরে। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত মন্দিরে ও বনেদি বাড়িতে জগন্নাথদেব আছেন, সেখানেও ঘটা করে পালন করা হয় এই উৎসব। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে পড়ে রথযাত্রা। 

রথযাত্রা ২০২৬-র দিনক্ষণ

* রথযাত্রা - ১৬ জুলাই (৩১ আষাঢ়), বৃহস্পতিবার। ১৫ জুলাই বেলা ১/৪৬ থেকে ১৬ জুলাই সকাল ১১/৪৪ পর্যন্ত থাকবে দ্বিতীয়া তিথি। 

* মাহেন্দ্রযোগ- সকাল ৫.৫৬ মধ্যে ও ৯.২৩ গতে ১১.১৬ মধ্যে।

* অমৃতযোগ- বেলা ৩.৪২ গতে ৬.২৩ মধ্যে এবং সন্ধ্যা ৭.৪ গতে ৯.১৩ মধ্যে ও ১২.৪ গতে ২.১২ মধ্যে ও ৩.৩৭ গতে ৫.৫ মধ্যে। 

* জগন্নাথদেবের রথযাত্রা - বেলা ১১.৪৬ মধ্যে।   
 
* উল্টো রথযাত্রা (পুনর্যাত্রা) - ২৪ জুন (৭ শ্রাবণ), শুক্রবার।  

জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা   

বিশ্বাস অনুযায়ী, স্নানযাত্রার দিন জগন্নাথদেবের জন্মদিন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন জগন্নাথদেবকে স্নান করানোর পর তার জ্বর আসে। স্নান যাত্রার পর নিভৃতবাস থেকে বেরিয়ে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে নিয়ে মাসির বাড়ি যান জগন্নাথদেব। এর সাতদিন পরে তাঁরা যখন ফিরে আসেন, সেই উল্টো রথ বা পূর্ণ যাত্রা। জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।  বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বিশেষ তিথিতে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলেন সারা বছর ভাগ্য ভাল থাকে। ভক্তি মনে এই বিশেষ তিথিতে কিছু নিয়ম মানলে সারা বছর সুখ-‌শান্তিতে ভরে থাকে পারিবারিক জীবন।

রথযাত্রা উৎসব  

রথযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পুরাণের নানা কথা। স্নান যাত্রার পর নিভৃতবাস থেকে বেড়িয়ে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে নিয়ে মাসির বাড়ি যান জগন্নাথদেব। রথযাত্রায় জগন্নাথ, বলরাম, শুভদ্রা ছাড়াও তাঁদের সঙ্গে সহযাত্রী হিসেবে থাকেন অন্যান্য দেব-দেবী। জগন্নাথের সঙ্গে থাকেন মদনমোহন, বলরামের সঙ্গে থাকেন রামকৃষ্ণ এবং শুভদ্রার সঙ্গে থাকেন সুদর্শনা।

Advertisement

আবার মনে করা হয় দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর কৃষ্ণের বৃন্দাবন প্রত্যাবর্তনের স্মরণে এই উৎসব আয়োজিত হয়ে থাকে। রথযাত্রা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে মেলার আয়োজন করা হয়। এমনকী পশ্চিমবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে এই উৎসব উপলক্ষে যাত্রাপালাও মঞ্চস্থের রীতি বেশ জনপ্রিয়।

রথযাত্রা উপলক্ষে, পুরীর রথে জগন্নাথ মহাপ্রভুর দর্শন হওয়া খুব শুভ বলে বিবেচিত। জগনাথ, শুভদ্রা ও বলভদ্রর জন্য তিনটি রথ তৈরি করা হয়। যা দেখার জন্য ফি বছর ভিড় জমান লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও দর্শনার্থী। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, কোনও ব্যক্তি যদি রথযাত্রায় পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে অংশ নেন, তাহলে জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্ত হয়ে উঠতে পারেন তিনি।

শোনা যায়, শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে দেখতে যান জগন্নাথদেব। সেই উপলক্ষ্যে ওই তিথি মেনে গুন্ডিচা মন্দিরে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার আয়োজন হয়। এই যাত্রাকে সোজা রথ যাত্রা বলা হয়। এরপর সাত দিন পর মন্দির থেকে দেবতার ফিরতি যাত্রাকে উল্টোরথ যাত্রা বলা হয়। যদিও মাসির বাড়ি যাওয়া নিয়ে রথ যাত্রার আরও এতটি পৌরাণিক কাহিনিও শোনা যায়। তবে জগন্নথধাম পুরী ঘিরে প্রচলিত রয়েছে একাধিক কাহিনি। 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement