Advertisement

Buddha Purnima 2026: বৌদ্ধ পূর্ণিমা কবে? কখন লাগছে পূর্ণিমা? জানুন শুভ সময়

বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় সম্প্রদায়ের জন্যই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনটি বুদ্ধ পূর্ণিমা হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বে শান্তির বার্তা নিয়ে আসা ভগবান গৌতম বুদ্ধ এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই দিনটি কেবল বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের জন্যই নয়, সনাতন ঐতিহ্যের কাছেও বিশেষ, কারণ ভগবান বুদ্ধকে ভগবান বিষ্ণুর নবম অবতার বলে মনে করা হয়।

বৌদ্ধ পূর্ণিমাবৌদ্ধ পূর্ণিমা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Apr 2026,
  • अपडेटेड 3:10 PM IST

Buddha Purnima 2026: বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথি হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় সম্প্রদায়ের জন্যই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনটি বুদ্ধ পূর্ণিমা হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বে শান্তির বার্তা নিয়ে আসা ভগবান গৌতম বুদ্ধ এই দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এই দিনটি কেবল বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের জন্যই নয়, সনাতন ঐতিহ্যের কাছেও বিশেষ, কারণ ভগবান বুদ্ধকে ভগবান বিষ্ণুর নবম অবতার বলে মনে করা হয়।

বুদ্ধ পূর্ণিমা কবে?
পঞ্জিকা অনুসারে, পূর্ণিমার তিথি ৩০ এপ্রিল রাতে শুরু হবে, কিন্তু উদয় তিথি (সূর্যোদয়ের তারিখ) অনুযায়ী, বুদ্ধ পূর্ণিমার উপোস ও স্নান হবে ২০২৬ সালের ১ মে, শুক্রবার।

পূর্ণিমা শুরু: ৩০ এপ্রিল, রাত ৯টা ১৩ মিনিট
পূর্ণিমার সমাপ্তি: ১ মে, রাত ১০টা ৫২ মিনিট

পুজো ও স্নানের শুভ সময়
এই দিনে যদি পবিত্র স্নান করতে বা বিশেষ প্রার্থনা করতে চান, তবে এই সময়গুলি মনে রাখবেন:
সকালের স্নান (ব্রহ্ম মুহূর্ত): ভোর ৪টে ১৫ থেকে ৪টে ৫৮ মিনিট পর্যন্ত।
দিনের বিশেষ পুজো (অভিজিৎ মুহূর্ত): সকাল ১১টা ৫২ থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ পর্যন্ত।
সন্ধের প্রার্থনা (অমৃত কাল): সন্ধে ৬টা ৫৬ থেকে রাত ৮টে ৪১ পর্যন্ত।

এই দিনটি কেন বিশেষ?
বুদ্ধ পূর্ণিমাকে ত্রি-উৎসবও বলা হয়, কারণ ভগবান বুদ্ধের জীবনের তিনটি প্রধান ঘটনা এই দিনে ঘটেছিল: তাঁর জন্ম, তাঁর বোধিপ্রাপ্তি এবং তাঁর মহাপরিনির্বাণ। এছাড়াও, হিন্দুধর্মে তাঁকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার বলে মনে করা হয়, তাই এই দিনে তাঁর পূজা করলে বিশেষ আশীর্বাদ লাভ হয়।

সুখ ও সমৃদ্ধির সহজ প্রতিকার
এই দিনে কয়েকটি ছোট কাজ করার মাধ্যমে ঘরে মনের শান্তি ও সমৃদ্ধি আনতে পারেন।

অশ্বত্থ গাছের পুজো: পূর্ণিমার দিনে দেবী লক্ষ্মী অশ্বত্থ গাছে বাস করেন। গাছের গোড়ায় জল অর্পণ করুন এবং একটি প্রদীপ জ্বালান। এতে পৈতৃক অভিশাপ দূর হয়।

সুখ ও সমৃদ্ধির সহজ প্রতিকার
এই দিনে কয়েকটি ছোট কাজ করার মাধ্যমে ঘরে মনের শান্তি ও সমৃদ্ধি আনতে পারেন।

Advertisement

অশ্বত্থ গাছের পুজো: পূর্ণিমার দিনে দেবী লক্ষ্মী অশ্বত্থ গাছে বাস করেন। গাছের গোড়ায় জল অর্পণ করুন এবং একটি প্রদীপ জ্বালান। এতে পৈতৃক অভিশাপ দূর হয়।
চন্দ্রকে জল নিবেদন: রাতে চন্দ্রকে দুধ মেশানো জল নিবেদন করুন। এটি মানসিক চাপ কমায় এবং মনকে শান্ত করে।
সত্যনারায়ণ কথা: ঘরে শান্তি ও সুখের জন্য ভগবান সত্যনারায়ণের কাহিনী শ্রবণ করা শুভ বলে মনে করা হয়।
সাদা জিনিস দান: এই দিনে দুধ, দই, চাল বা চিনির মতো সাদা জিনিস দান করলে আশীর্বাদ লাভ হয়।

ভদ্রার ছায়া
১ মে ভোর ৫টা ৪১ মিনিট থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভদ্রা স্থায়ী হবে। তবে, জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, চন্দ্র তুলা রাশিতে থাকার কারণে এই ভদ্রার পৃথিবীতে কোনো প্রভাব পড়বে না। তাই, নির্ভয়ে আপনার পূজা ও শুভ কাজকর্ম সম্পাদন করতে পারেন।

Read more!
Advertisement
Advertisement