Advertisement

Cat Crossing Path Shakun Shastra: বিড়াল রাস্তা কাটা কি সত্যি অশুভ? জেনে নিন শকুন শাস্ত্র কী বলছে

Shakun Shastra: শকুন শাস্ত্রেও বিড়ালের পথ কেটে যাওয়াকে একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও প্রচলিত লক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে এটি কেবলই কুসংস্কার নয়, এর পেছনে প্রাচীনকালের কিছু ব্যবহারিক কারণও রয়েছে।

বিড়াল বিড়াল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:09 PM IST

ছোটবেলা থেকেই আমরা বড়দের কাছে শুনি যে, বিড়াল যদি রাস্তা কেটে যায় তাহলে না এগিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা উচিত। শকুন শাস্ত্রেও বিড়ালের পথ কেটে যাওয়াকে একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও প্রচলিত লক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে এটি কেবলই কুসংস্কার নয়, এর পেছনে প্রাচীনকালের কিছু ব্যবহারিক কারণও রয়েছে।

শকুন শাস্ত্র বা লক্ষণ-বিজ্ঞান অনুযায়ী বিশ্বাস 

শকুন শাস্ত্রে, বিড়াল- বিশেষ করে কালো বিড়াল যদি পথ কেটে যায়, তবে তা সাধারণত অশুভ বা আসন্ন কোনও বিপদের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আসলে, জ্যোতিষশাস্ত্র ও শকুন শাস্ত্রে বিড়ালকে রাহু গ্রহের বাহন বা রাহুর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মনে করা হয়। রাহু দুর্ঘটনা, বাধা এবং নেতিবাচক শক্তির কারণ হিসেবে বিবেচিত। তাই বিশ্বাস করা হয় যে, বিড়াল পথ কেটে গেলে রাহুর নেতিবাচক প্রভাব আপনার কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

বাম থেকে ডানে যাওয়া

কিছু বিশ্বাস অনুযায়ী, বিড়াল যদি বাম দিক থেকে ডান দিকে পথ কেটে যায়, তবে তা বেশি অশুভ বলে মনে করা হয়।

অসম্পূর্ণ কাজের সতর্কতা

বিশ্বাস করা হয় যে, কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজে বের হওয়ার সময় যদি বিড়াল পথ কেটে যায়, তবে সেই কাজে ব্যর্থতা বা বিলম্ব হতে পারে।

বিড়ালের কান্না বা লড়াই

বিষয়টি কেবল পথ আটকে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বাড়ির ভেতরে বা আশেপাশে বিড়াল যদি একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে কিংবা তাদের কান্নার শব্দ শোনা যায়, তবে শকুন শাস্ত্র অনুযায়ী তা পারিবারিক কলহ বা অর্থহানির লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

হাঁচি

বিড়াল যদি আপনার সামনে এসে হাঁচি দেয়, তবে শকুন শাস্ত্রে তা অশুভ লক্ষণ বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর যাত্রা শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিড়াল পথ কেটে গেলে কী করবেন?

আপনি যদি এই বিশ্বাসগুলো মেনে চলেন বা এ বিষয়ে কোনও সংশয় থাকে, তবে লোক প্রথায় কিছু সহজ সমাধানের কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

কিছুক্ষণ থেমে যান: বিড়াল পথ কেটে গেলে এক বা দুই মিনিট দাঁড়িয়ে যান। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, আপনার পরে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি বা যানবাহন সেই পথ দিয়ে চলে যায়, তবে সেই অশুভ প্রভাব বা দোষ কেটে যায়। 

জল ছিটানো: আশেপাশে জল থাকলে মাটিতে কিছুটা জল ছিটিয়ে নিন অথবা জল পান করে এগিয়ে যান।

ঈশ্বরকে স্মরণ করা: আপনার প্রিয় দেবতার নাম জপ করুন কিংবা হনুমান চালিসার কোনও একটি পঙক্তি পাঠ করুন। এতে ভয় ও নেতিবাচক চিন্তা দূর হবে।

(Disclaimer: এখানে দেওয়া তথ্য সাধারণ অনুমান এবং তথ্যের উপর ভিত্তি করে। আজতক বাংলা এটি নিশ্চিত করে না।) 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement