Advertisement

Guru Purnima 2026: চলতি মাসেই গুরু পূর্ণিমা, তারিখটা কবে? জানুন শুভ সময়

আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত গুরু পূর্ণিমা কেবল শিক্ষক ও আধ্যাত্মিক গুরুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই নয়, বরং জীবনে জ্ঞান ও আলোর গুরুত্ব অনুধাবন করারও একটি সুযোগ। জানুন ২০২৬ সালে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসবটি কবে পড়ছে এবং কীভাবে এটি উদযাপন করা উচিত।

গুরু পূর্ণিমা ২০২৬গুরু পূর্ণিমা ২০২৬
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:46 PM IST

Guru Purnima 2026: ভারতীয় সংস্কৃতিতে গুরুকে ঈশ্বরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয়। গুরু শব্দটির অর্থই হল যিনি অন্ধকার থেকে আলোর পথে চালিত করেন। আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত গুরু পূর্ণিমা কেবল শিক্ষক ও আধ্যাত্মিক গুরুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিনই নয়, বরং জীবনে জ্ঞান ও আলোর গুরুত্ব অনুধাবন করারও একটি সুযোগ। জানুন ২০২৬ সালে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসবটি কবে পড়ছে এবং কীভাবে এটি উদযাপন করা উচিত।

গুরু পূর্ণিমা ২০২৬: তারিখ ও শুভ সময়
২০২৬ সালে গুরু পূর্ণিমা ২৯ জুলাই, বুধবার পালিত হবে।
পূর্ণিমা তিথি শুরু: ২৮ জুলাই, ২০২৬, সন্ধে ৬টা ১৮ মিনিটে।
পূর্ণিমা তিথির সমাপ্তি: ২৯ জুলাই, ২০২৬, রাত ৮টা ০৫ মিনিটে।
পুজোর শুভ সময়: ২৯ জুলাই ভোর ৫টা ৪১ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত সময়টি পুজোর জন্য অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

গুরু পূর্ণিমা কেন পালন করা হয়?
গুরু পূর্ণিমার দিনটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

বেদব্যাস জয়ন্তী: এই দিনটি ব্যাস পূর্ণিমা নামেও পরিচিত, কারণ মহাভারতের রচয়িতা এবং চার বেদের সংকলক মহর্ষি বেদব্যাস এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

আদি গুরুর শিক্ষা: বিশ্বাস করা হয়, এই দিনে ভগবান শিব, আদি গুরু রূপে, সপ্তর্ষিদের যোগ বিজ্ঞানের প্রথম জ্ঞান প্রদান করেছিলেন।

বৌদ্ধ ও জৈন ঐতিহ্য: বৌদ্ধধর্মে, ভগবান বুদ্ধ এই দিনে সারনাথে তাঁর প্রথম ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন, অন্যদিকে জৈনধর্মে এই দিনটি ভগবান মহাবীর এবং তাঁর প্রথম শিষ্য গৌতম স্বামীর মিলন দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।

উপাসনা পদ্ধতি ও ঐতিহ্য

ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান: খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নান করুন এবং পরিষ্কার পোশাক পরুন।
গুরু পুজো: গুরু বা শিক্ষকের ছবি বা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালান, ফুল অর্পণ করুন এবং তাঁদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করুন।
ধ্যান ও মন্ত্র জপ: গুরু মন্ত্র জপ করুন অথবা কোনো গুরুর নির্দেশনায় ধ্যান করুন।
দান ও সেবা: এই দিনে অসহায়দের সাহায্য করা, দান করা এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের (পিতামাতার) আশীর্বাদ লাভের জন্য তাঁদের চরণে প্রণাম করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়।়

Advertisement

বিশেষ দ্রষ্টব্য
এই দিনে সাত্ত্বিক খাবার গ্রহণ করুন। যেকোনও ধরনের দুশ্চিন্তা বা নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করুন।

Read more!
Advertisement
Advertisement