Advertisement

দোলের সকালেই সেরে ফেলুন এই শুভ কাজ, সারা বছর টাকার অভাব হবে না

ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার দিন আকাশ বাতাস ভরে উঠবে আবিরের গন্ধে। খাবারের মেনু  থেকে শুরু করে কোন রঙ দিয়ে হোলি খেলবেন সকলেই তা সেট করে ফেলেছেন। কিন্তু,  আপনি কি জানেন যে রঙের এই উৎসব শুধুমাত্র হইচই বা  সুস্বাদু খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়?

দোলের সকালেই সেরে ফেলুন এই শুভ কাজদোলের সকালেই সেরে ফেলুন এই শুভ কাজ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:24 PM IST
  • রঙের এই উৎসব শুধুমাত্র হইচই বা সুস্বাদু খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়?
  • জ্যোতিষশাস্ত্রে হোলি বা দোলের দিনটিকে 'সিদ্ধকাল' হিসাবে দেখা হয়।
  • ছোট ছোট পরিবর্তনগুলি ভাগ্যের উন্নতি করতে পারে।

ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার দিন আকাশ বাতাস ভরে উঠবে আবিরের গন্ধে। খাবারের মেনু  থেকে শুরু করে কোন রঙ দিয়ে হোলি খেলবেন সকলেই তা সেট করে ফেলেছেন। কিন্তু,  আপনি কি জানেন যে রঙের এই উৎসব শুধুমাত্র হইচই বা  সুস্বাদু খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়? জ্যোতিষশাস্ত্রে হোলি বা দোলের দিনটিকে 'সিদ্ধকাল' হিসাবে দেখা হয়। অর্থাৎ এটি এমন একটা সময় যখন, ছোট ছোট পরিবর্তনগুলি ভাগ্যের উন্নতি করতে পারে। দোল ও হোলির দিন ভাগ্য ফেরাতে হলে কী কী করণীয়? জেনে নেওয়া যাক

মূল ফটকে কিছু কাজ করতে হবে

ঘরের চৌকাঠ দিয়েই আসলে লক্ষ্মী প্রবেশ করেন।   দোলের সকালে স্নানের পর, প্রথমে মূল দরজায় হলুদ এবং গঙ্গা জল মিশ্রিত জল ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপর দরজার উভয় পাশে সিঁদুর দিয়ে "ওম" বা "শ্রী" লিখুন । এটি কেবল বাস্তু ত্রুটি দূর করে না বরং ঘরে কোনও অশুভ আত্মার প্রবেশকেও বাধা দেয়। 

পূর্বপুরুষ ও গৃহ দেবতার পূজা করুন:

পূর্বপুরুষদের স্মরণ না করে কোনও উদযাপন শুরু করা হলে তা অসম্পূর্ণ থাকে। রঙ নিয়ে খেলতে বের হওয়ার আগে, নিজের গৃহ দেবতা ও পূর্বপুরুষদের নামে একটি প্রদীপ জ্বালানো উচিত। স্নানের পর একটি থালায় আবির নিয়ে বাড়িতে গৃহ দেবতার পুজো করা উচিত। 

তিল ও নুন-এর ব্যবহারে ম্যাজিক

যে বাড়িতে ঘন ঘন ঝামেলা লেগেই থাকে বা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যা থাকে, তাঁদের এই নিয়ম মেনে চললে ভালো ফল পাওয়ার আশা রয়েছে। দোলের সকালে হাতে এক মুঠো কালো তিল ও সামান্য নুন নিয়ে বাড়ির চারপাশে ঘুরতে হবে। এরপর ঘরের বাইরে কোনও নির্জন জায়গায় ফেলে দিন। মনে করা হয় এই উপায়ে ঘরের "নেগেটিভ শক্তি" শোষণ করার এটি সবচেয়ে সহজ উপায়। 

দান করা ভাল

দোলের দিন দান করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। নিজের সামর্থ্য অনুসারে, অভাবীদের সাদা খাবার (যেমন ভাত, চিনি বা দুধ) দান করুন। এরফলে শুক্র ও চন্দ্র শক্তিশালী হবে। যা জীবনে সুখ ও আরাম নিয়ে আসবে।

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement