
ঘরে ঘরে চলছে লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। ধনদেবী লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে কোজাগরি পূর্ণিমায় ভোগপ্রসাদের আয়োজন করবেন সকলেরই। কিন্তু ভোগের থালায় কী কী রাখতে হয় জানেন? কোন প্রসাদ নিবেদন করলে মিলবে মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ?
মা লক্ষ্মী কেবল ধনের দেবী নন, তিনি শ্রী, সমৃদ্ধি এবং অন্নপূর্ণার প্রতীক। ফলে লক্ষ্মীপুজোর রাতে ভক্তিভরে নৈবেদ্যর থালা সাজিয়ে দিতে হয় মা লক্ষ্মীর সামনে।
> খিচুড়ি: লক্ষ্মীপুজোর অন্যতম প্রধান প্রসাদ হল গোবিন্দভোগ চাল ও মুগ ডালের খিচুড়ি। এটি নিবেদন করলে পরিবারে ধনধান্যের অভাব হয় না।
> পঞ্চব্যঞ্জন ও লাবড়া: খিচুড়ির সঙ্গে মায়ের ভোগে হরেক রকম সবজির লাবড়া এবং ৫ রকমের ভাজা রাখা হয়। বেগুন, পটলসহ অন্যান্য তরিতরকারি দিয়ে তৈরি লাবড়া প্রাচুর্যের প্রতীক।
> লুচি ও সঙ্গে সুজির হালুয়া: মা লক্ষ্মীর আরাধনায় লুচির সঙ্গে সুজির হালুয়া নিবেদনের প্রথা রয়েছে। মিষ্টি প্রসাদ মায়ের নৈবেদ্যে পূর্ণতা আনে। দেবীকে সন্তুষ্ট করতে এবং পারিবারিক উন্নতি বজায় রাখতে লুচি ও সুজির হালুয়া দেওয়া হয় প্রসাদে।
> ফলমূল: শশা, কলা, নারকেল, আঙুর ও শাঁকালুর মতো ঋতুভিত্তিক ফল রাখা হয় নৈবেদ্য হিসেবে। তাজা ফল অর্পণে দেবী আনন্দিত হন। মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে পরিবার রোগমুক্ত থাকে।
> নারকেল ও তিলের নাড়ু: লক্ষ্মীপুজোয় নারকেল ও তিলের নাড়ু নিবেদন অত্যন্ত শুভ। যা দেবী লক্ষ্মীর অতিপ্রিয়। নাড়ু শুভত্ব, পূর্ণতা এবং সম্পদের প্রতীক। প্রাচীন কাল থেকেই ঘরে তৈরি এই মিষ্টি নৈবেদ্য দেবীকে উৎসর্গ করার রীতি প্রচলিত রয়েছে।
> মিষ্টি: দেবীর থালায় রসগোল্লা, সন্দেশ ইত্যাদি মিষ্টান্ন সাজিয়ে দেওয়া জরুরি। মিষ্টান্ন নিবেদনের মাধ্যমে গৃহে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার ঘটে এবং জীবনের সব তিক্ততা ও বাধা কেটে যায়।