Advertisement

Mahalaya Tarpan Auspicious Time: ভোরে নয়, এবারের মহালয়ার তর্পণের সবথেকে শুভ সময় কখন? জেনে নিন

১০ অক্টোবর, শনিবার হল মহালয়া। এই দিনই করা হবে তর্পণ। কিন্তু এবার ভোরবেলায় তর্পণ করলে তেমন একটা লাভ হবে না। বরং কখন তর্পণ করলে সবথেকে বেশি লাভ পাবেন, সেটা জেনে নিন।

মহালয়ায় তর্পণের শুভ সময় কখন?মহালয়ায় তর্পণের শুভ সময় কখন?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Oct 2026,
  • अपडेटेड 1:00 PM IST
  • ১০ অক্টোবর, শনিবার হল মহালয়া
  • এই দিনই করা হবে তর্পণ
  • এবার ভোরবেলায় তর্পণ করলে তেমন একটা লাভ হবে না

শরৎ এসেছে। দুর্গাপুজোর বাকি আর হাতে গোনা কয়েক দিন। তার আগেই এসে উপস্থিত মহালয়া। শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ মহালয়া অনুষ্ঠিত হবে। সেই মতো ভোর ভোর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুরমর্দিনী শোনার জন্য তৈরি হচ্ছে বাঙালি। রেডিওতে আরও একবার ঝাড়পোছ করে নেওয়ার কাজ চলছে। সেই সঙ্গে অনেকেই তৈরি হচ্ছেন তর্পণের মাধ্যমে পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। কিন্তু প্রশ্ন হল, শনিবার ঠিক কখন তর্পণ করার জন্য সেরা সময়? আর সেই উত্তরটাই দেওয়া হল নিবন্ধটি। 


তর্পণ করার সেরা সময় কোনটি? 
মহালয়ার দিন ভোর থেকে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ করার জন্য লাইন দেন অসংখ্য মানুষ। তবে যখন তখন তর্পণ করলে কোনও  লাভ হবে না। বরং নির্দিষ্ট সময়েই করতে হবে কাজটি। তাহলেই পিতৃপুরুষ সন্তুষ্ট হবেন। 

শাস্ত্র অনুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে। এটি থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১০ অক্টোবর পিতৃপক্ষের শেষ এবং মাতৃপক্ষের শুরুর সন্ধিক্ষণ তর্পণ করার জন্য শুভ।আর পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের সেরা সময় হচ্ছে ১০ই অক্টোবর। শনিবার সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে তর্পণ করার জন্য সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে। তাই ভোর ভোর তর্পণ করতে না গিয়ে এই সময়টায় যান। তাহলে সবথেকে ভাল লাভ পাবেন।

তর্পণ কেন করা হয়? 
হিন্দুধর্মে মৃত পূর্বপুরুষকে শ্রদ্ধা জানাতে তর্পণ করা হয়। আবার ঋষি ও দেবতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং তাদের আত্মার তৃপ্তি ও শান্তির জন্য তর্পণ করা হয়।

আসলে 'তর্পণ' শব্দটি এসেছে সংস্কৃত 'তৃপ্' ধাতু থেকে। এই শব্দের অর্থ হল তৃপ্তি সাধন করা। জল ও তিল নিবেদনের  মাধ্যমে পূর্বপুরুষদের তৃপ্ত করা বোঝায়।

তর্পণের সময় দেব-ঋষি এবং পূর্বপুরুষদের নাম উচ্চারণ করা হয়। তারপর জল নিবেদন করা হয়। এতে আত্মার তৃষ্ণা নিবারণ হয়। তাঁরা শান্তি লাভ করেন।

Advertisement

এর মাধ্যমে পরিবার ও বংশের পূর্বপুরুষদের শ্রদ্ধা জানান হয়। তাঁদের অবদান ও আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হয়। আর তর্পণের মাধ্যমে পূর্বপুরুষরা তুষ্ট হলে বংশধরদের দীর্ঘায়ু, জ্ঞান, ধনসম্পদ, শান্তি এবং মঙ্গলের আশীর্বাদ দেন বলে বিশ্বাস করা হয়। 

কী খাবার খাওয়া উচিত নয়?
এই নিয়ম পরিবার ভেদে আলাদা হতে পারে। তবে অধিকাংশ বাড়িতেই সংযম ও সাত্ত্বিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে তর্পণ না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া যায় না। তবে এই নিয়ম সকলের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তাই নিজের ব্রাহ্মণকে অবশ্যই বিষয়টা জিজ্ঞেস করে নিন। 

 

 

TAGS:
    Read more!
    Advertisement
    Advertisement