Advertisement

Roti Vastu Tips: রুটি গুনে গুনে তৈরি করেন? এখনই সাবধান হয়ে যান

বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, রান্নাঘরে কিছু বিশেষ নিয়ম এবং নির্দেশিকা অনুসরণ করলে ঘরে সুখ, শান্তি ও ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ ঘটে। বাড়ির বড়রা অনেক সময়ই বলে থাকেন যে রুটি কখনও গুনে গুনে তৈরি করতে নেই।

রুটি গুনে তৈরি করলে কী হয়?রুটি গুনে তৈরি করলে কী হয়?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Jul 2026,
  • अपडेटेड 7:13 PM IST
  • ভারতীয় সংস্কৃতিতে, রান্নাঘরকে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

ভারতীয় সংস্কৃতিতে, রান্নাঘরকে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কারণ এখানে তৈরি খাবার ঘরের প্রতিটি সদস্যদের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, রান্নাঘরে কিছু বিশেষ নিয়ম এবং নির্দেশিকা অনুসরণ করলে ঘরে সুখ, শান্তি ও ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ ঘটে। বাড়ির বড়রা অনেক সময়ই বলে থাকেন যে রুটি কখনও গুনে গুনে তৈরি করতে নেই। কিছু লোক এই ভাবনাকে কেবল একটি পুরানো বিশ্বাস বা কুসংস্কার বলে উপেক্ষা করে, আবার কিছু লোক আজও পূর্ণ উৎসাহের সঙ্গে এটি অনুসরণ করে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে গুনে রুটি বানানোর এই নিষেধাজ্ঞার পিছনে কেবল পৌরাণিক বিশ্বাস বা বাস্তুশাস্ত্রই নয়, বরং একটি গভীর ব্যবহারিক এবং স্বাস্থ্য-সম্পর্ক এবং বাড়ির সমৃদ্ধিকে প্রাভাবিত করে। 

সমৃদ্ধির অভাব
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, আমরা যখন আমাদের তৈরি করা রুটির সংখ্যা গুনি, তখন আমরা অজান্তেই আমাদের বাড়ির সমৃদ্ধিকে সীমিত করে ফেলি। খাদ্যকে দেবী অন্নপূর্ণার একটি রূপ বলে মনে করা হয় এবং রুটি গুনে তৈরি করা সেই দেবীর প্রতি অসম্মান দেখানো হয়। 

গ্রহের প্রভাব
রান্নাঘরে মঙ্গলের স্থান বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে গুনে গুনে রুটি তৈরি করলে জন্মছকে রাহুর নেতিবাচতা বৃদ্ধি পায়। ঘরের মানসিক অশান্তি ও অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়ে। 

অতিথিদের আপ্যায়ন
সনাতন পরম্পরায়, অতিথিকে দেবতা রূপে গণ্য করা হয়। রুটি যদি গুনে গুনে তৈরি করা হয় আর আচমকা অতিথি চলে এলে তাঁকে না খাওয়াতে পারলে, বুধ ও গুরু বৃহস্পতির প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ে। 

বৈজ্ঞানিক কারণ
খিদে ও তৃপ্তির নিয়ম
একজন মানুষের ক্ষুধা প্রতিদিন একই রকম থাকে না। কখনও কখনও কাজের চাপের কারণে ক্ষুধা কমে যেতে পারে, আবার অন্য সময়ে খাবারের স্বাদ বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের কারণে একজন ব্যক্তি একটি বা দুটি অতিরিক্ত রুটি খেয়ে ফেলতে পারে। যদি কঠোরভাবে সংখ্যা গুনে রুটি তৈরি করা হয়, তবে পরিবারের কোনো সদস্যকে তার খিদে দমিয়ে রাখতে হতে পারে, যা মোটেও ভাল নয়। 

Advertisement

ইতিবাচক শক্তির অভাব
যে গৃহিণী বা রাঁধুনি রুটি তৈরির সময় গুনে গুনে তৈরি করেন, তিনি প্রায়ই সীমাবদ্ধ ও কৃপণ হয়ে পড়েন। এটি খাবারের স্বাদ এবং রান্নাঘরের পরিবেশকে সরাসরি প্রভাবিত করে।

বাস্তু অনুযায়ী কটা রুটি তৈরি করা উচিত
প্রথম রুটি (গরুর জন্য): প্রথম রুটি সবসময় গরুর জন্য রাখা উচিত, এতে বাড়ির সমস্ত বাস্তু দোষ দূর হয় এবং পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ লাভ হয়।

শেষ রুটি (কুকুরের জন্য): রান্নাঘরে তৈরি শেষ রুটিটি কুকুরের জন্য হওয়া উচিত, যাতে রাহু, কেতু এবং শনি শান্ত থাকে।

অতিরিক্ত রুটি: সবসময় ২-৩টি অতিরিক্ত রুটি রাখুন, যাতে কোনো ক্ষুধার্ত পশু, পাখি বা অপ্রত্যাশিত অতিথি খালি হাতে ফিরে না যায়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement