Advertisement

Saraswati Puja 2026 Anjali Timing: অঞ্জলি দেওয়ার সময় কখন, কতক্ষণ থাকছে পঞ্চমী তিথি? জানুন সরস্বতী পুজোর নির্ঘণ্ট

Saraswati Puja 2026 Timing: সকাল থেকেই উপোস থেকে বাগদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন তারা। বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞানের প্রার্থনা করেন সরস্বতী মায়ের কাছে। জেনে নিন ২০২৬-র বসন্ত পঞ্চমীর কবে পড়েছে এবং শুভ তিথি কখন। 

সরস্বতী পুজোর নির্ঘণ্টসরস্বতী পুজোর নির্ঘণ্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 22 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:25 AM IST

ইংরাজি নববর্ষ আসা মানেই, বাঙালির নজর থাকে সরস্বতী পুজোর দিকে। মূলত মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে বসন্ত পঞ্চমী বা সরস্বতী পুজো  হয়। এই পুজোর জন্যে সকলে সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে থাকেন। বিশেষত শিক্ষার্থীদের জন্যে সরস্বতী পুজো খুবই স্পেশাল। সকাল থেকেই উপোস থেকে বাগদেবীর উদ্দেশ্যে অঞ্জলি দেন তারা। বিদ্যা, বুদ্ধি, জ্ঞানের প্রার্থনা করেন সরস্বতী মায়ের কাছে। জেনে নিন ২০২৬-র বসন্ত পঞ্চমীর কবে পড়েছে এবং শুভ তিথি কখন। 

সরস্বতী পুজো কবে? 

২০২৬ সালের  ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার (বাংলায় ৯ মাঘ) সরস্বতী পুজো পড়েছে।  

আরও পড়ুন

সরস্বতী পুজোর পঞ্চমী তিথি কতক্ষণ থাকবে? 

২২ জানুয়ারি রাত ১:৩৯ মিনিট থেকে  ২৩ জানুয়ারি  রাত ১২:২৯ মিনিট পর্যন্ত থাকবে পঞ্চমী তিথি।

পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র

ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ-শোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোহস্তুতে।। 

নমঃ সরস্বত্যৈ নমো নমঃ নিত্যং ভদ্রকাল্যৈ নমো নমঃ। বেদ- বেদাঙ্গ- বেদান্ত- বিদ্যাস্থানেভ্য এব চ।। এষ সচন্দন পুষ্পবিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বত্যৈ নমঃ।।- এই মন্ত্রে তিনবার অঞ্জলি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। 

 

প্রণাম মন্ত্র

নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমল-লোচনে। বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাং দেহি নমোহস্তুতে।। জয় জয় দেবী চরাচরসারে,  কুচযুগ২০২৬ সালের  ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার (বাংলায় ৯ মাঘ) সরস্বতী পুজো পড়েছে।  
শোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোহস্তুতে।। 

পুজোর মূল সামগ্রী

শ্রী পঞ্চমীর দিনি সকালেই সরস্বতী পুজো সম্পন্ন করা হয়। সাধারণত নিয়মে পুজো হলেও বেশ কয়েকটি সামগ্রির প্রয়োজন হয়। যেমন- আমের মুকুল, অভ্র- আবির, দোয়াত- খাগের কলম, পলাশ ফুল, বই ও বাদ্যযন্ত্রাদি। এছাড়াও বাসন্তী রঙের গাঁদা ফুল ও মালা প্রয়োজন হয়। 

'সরস' শব্দের অর্থ হল জল। সুতরাং সরস্বতী শব্দের অর্থ হলো জনবতী বা নদী। অনেক পণ্ডিতই মনে করেন দেবী সরস্বতী প্রথমে ছিলেন নদী। পরে তিনি দেবী হিসেবে পূজিত হন। তিনি চেতনা ও জ্ঞানের দেবী। দূর দুরান্ত থেকে মানুষ এই পুজোর বিসর্জন দেখতে আসত। পুজো উপলক্ষ্যে প্রায় দু'ঘণ্টা আতশবাজিও পোড়ানো হত। আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরস্বতী পুজোর প্রচলন হয় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে।

Advertisement

 

সরস্বতী বৈদিক দেবী হলেও সরস্বতী পুজো বর্তমান রূপটি আধুনিক কালে প্রচলিত হয়েছে। তবে প্রাচীন কালে তান্ত্রিক সাধকেরা সরস্বতী-সদৃশ দেবী বাগেশ্বরীর পুজো করতেন বলে জানা যায়। ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাঠশালায় প্রতি মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে ধোয়া চৌকির উপর তালপাতার তাড়ি ও দোয়াতকলম রেখে পুজো করার প্রথা ছিল। শ্রীপঞ্চমী তিথিতে ছাত্রেরা বাড়িতে বাংলা বা সংস্কৃত গ্রন্থ, শ্লেট, দোয়াত ও কলমে সরস্বতী পূজা করত। গ্রামাঞ্চলে এই প্রথা বিংশ শতাব্দীতেও প্রচলিত ছিল। শহরে ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই সরস্বতীর প্রতিমা নির্মাণ করে পুজো করতেন। 

প্রচলিত লোকাচার অনুযায়ী, সরস্বতী পুজো সম্পন্ন হওয়ার আগে পর্যন্ত কুল খেতে নেই। যদিও এর পেছনে রয়েছে আরও অনেক ব্যাখ্যা। তবে স্কুল- কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাগদেবীর আরাধনার করার পরে অঞ্জলি দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা কুল খাওয়ার রীতি বহুদিন ধরে।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement