
Office Bag Vastu: দিনরাত এক করে খাটছেন, বসের গুডবুকেও নাম রয়েছে, অথচ ইনক্রিমেন্ট বা প্রোমোশনের বেলায় শিকে ছিঁড়ছে না? আপনার চোখের সামনেই আপনার চেয়ে কম অভিজ্ঞ সহকর্মীরা তরতর করে উন্নতির সিঁড়ি চড়ে যাচ্ছেন? যদি এমনটা হয়, তবে একবার নিজের অফিসের ব্যাগটা খুঁটিয়ে দেখুন তো, বাস্তুবিদরা বলছেন, অনেক সময় আমাদের অজান্তেই ব্যাগের ভেতর এমন কিছু জিনিস জায়গা করে নেয়, যা উন্নতির পথে পাহাড়প্রমাণ বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কেরিয়ারের দফারফা করতে পারে ব্যাগে থাকা মাত্র তিনটি সাধারণ বস্তু।
১. ব্যাগে প্রসাধনী?
অফিসে যাওয়ার ব্যাগে অনেকেই কসমেটিকস পাউচ বা প্রসাধনী দ্রব্য রাখেন। বিশেষ করে মহিলা কর্মীদের ক্ষেত্রে এটি সাধারণ বিষয়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র বলছে, অফিসের ব্যাগে মেক-আপ কিট বা ব্যক্তিগত হাইজিন প্রোডাক্ট (যেমন টুথব্রাশ, পেস্ট বা স্যানিটারি ন্যাপকিন) রাখা একেবারেই অশুভ। এগুলি নেগেটিভ এনার্জি তৈরি করে যা সরাসরি আপনার কাজের একাগ্রতায় ব্যাঘাত ঘটায়। এই সব জিনিস ব্যাগে না রেখে অফিসের নির্দিষ্ট ড্রয়ারে গুছিয়ে রাখুন।
২. ধারালো বস্তু রাখছেন?
ব্যাগে ছোট ছুরি, কাঁচি কিংবা নেইল কাটার রাখার অভ্যাস অনেকেরই থাকে। বাস্তু মতে, কর্মক্ষেত্রে ব্যবহৃত ব্যাগে কোনো ধারালো বা তীক্ষ্ণ বস্তু রাখা মানেই বস এবং সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কে তিক্ততা আসা। এই ধরনের জিনিস আপনার উন্নতির পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় এবং নেগেটিভ ভাইবস ছড়ায়।
৩. নোংরা রুমাল বা কাপড়
অফিসের ব্যাগ পরিষ্কার রাখা মানেই লক্ষ্মীর কৃপা। অনেক সময় ব্যবহৃত রুমাল বা নোংরা কাপড় ব্যাগের কোণে পড়ে থাকে, যা আমরা খেয়াল করি না। বাস্তুবিদদের মতে, ব্যাগে নোংরা কাপড় থাকলে মানুষের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ এবং ক্লান্তি বাড়ে। এর ফলে প্রতিযোগিতার দৌড়ে আপনি অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়তে পারেন।
কেরিয়ারে পজিটিভ পরিবর্তন আনতে এবং সাফল্যের মুখ দেখতে আজই ব্যাগ থেকে এই আপদগুলো বিদায় করুন। মনে রাখবেন, পরিচ্ছন্ন ব্যাগই কিন্তু পজিটিভ এনার্জির চাবিকাঠি।