Advertisement

Vastu Tips: বাড়িতে ওপেন কিচেন? এই ৩ কাজ করলে কাটবে বাস্তুদোষ

শহুরে ফ্ল্যাট হোক বা নতুন বাড়ি; এখন ট্রেন্ড ‘ওপেন কিচেন’। চার দেওয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে রান্নাঘর সরাসরি যুক্ত হচ্ছে লিভিং বা ডাইনিং স্পেসের সঙ্গে। ফলে বাড়ি দেখায় বড়, আলো-বাতাস ঢোকে বেশি, আর রান্না করতে করতেই পরিবারের সঙ্গে গল্পগুজবও সেরে ফেলা যায়।

এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই ওপেন কিচেন।এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই ওপেন কিচেন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Mar 2026,
  • अपडेटेड 3:27 PM IST
  • শহুরে ফ্ল্যাট হোক বা নতুন বাড়ি; এখন ট্রেন্ড ‘ওপেন কিচেন’।
  • চার দেওয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে রান্নাঘর সরাসরি যুক্ত হচ্ছে লিভিং বা ডাইনিং স্পেসের সঙ্গে।
  • ফলে বাড়ি দেখায় বড়, আলো-বাতাস ঢোকে বেশি, আর রান্না করতে করতেই পরিবারের সঙ্গে গল্পগুজবও সেরে ফেলা যায়।

শহুরে ফ্ল্যাট হোক বা নতুন বাড়ি; এখন ট্রেন্ড ‘ওপেন কিচেন’। চার দেওয়ালের গণ্ডি পেরিয়ে রান্নাঘর সরাসরি যুক্ত হচ্ছে লিভিং বা ডাইনিং স্পেসের সঙ্গে। ফলে বাড়ি দেখায় বড়, আলো-বাতাস ঢোকে বেশি, আর রান্না করতে করতেই পরিবারের সঙ্গে গল্পগুজবও সেরে ফেলা যায়। কিন্তু আধুনিকতার এই ছোঁয়ার মাঝেই লুকিয়ে থাকতে পারে বাস্তুদোষ; এমনটাই মত বাস্তুশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের। বাস্তুমতে, রান্নাঘর হল ‘অগ্নি তত্ত্ব’-এর স্থান। তাই ওপেন কিচেন ডিজাইন করার সময় শক্তির ভারসাম্য (Energy Balance) বজায় রাখা জরুরি। তা না হলে সংসারে অশান্তি, আর্থিক টানাপোড়েন বা মানসিক চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করা হয়। তবে কয়েকটি সহজ নিয়ম মানলেই এই সম্ভাব্য বাস্তুদোষ এড়ানো সম্ভব।

১) জল ও আগুন মুখোমুখি নয়
ওপেন কিচেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; সিঙ্ক ও গ্যাস ওভেনের অবস্থান। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, জল ও আগুন পরস্পরবিরোধী উপাদান। তাই সিঙ্ক এবং গ্যাস স্টোভ কখনও পাশাপাশি বা একেবারে মুখোমুখি রাখা উচিত নয়। যদি জায়গার অভাবে পাশাপাশি রাখতেই হয়, তা হলে মাঝখানে কাঠ, মাটি বা সিরামিকের কোনও বস্তু; যেমন ছোট গাছের টব বা ডেকোরেটিভ শো-পিস; রাখলে শক্তির সংঘাত কমে বলে বিশ্বাস।

২) নির্দিষ্ট সীমা তৈরি করুন
ওপেন কিচেন মানেই যে কোনও সীমানা থাকবে না; এমন নয়। রান্নার জায়গাটি যেন স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়, সে দিকে নজর দেওয়া দরকার। ফলস সিলিং, আলাদা ফ্লোরিং প্যাটার্ন, কিচেন আইল্যান্ড বা হালকা পার্টিশন ব্যবহার করে আলাদা এলাকা তৈরি করা যেতে পারে। প্রয়োজনে ব্যবহার না হলে পর্দা টানার ব্যবস্থাও রাখা যায়। এতে রান্নাঘরের শক্তি গোটা ঘরে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে ছড়িয়ে পড়ে না।

৩) সঠিক দিকে গ্যাসের অবস্থান
বাস্তুমতে দক্ষিণ-পূর্ব দিককে ‘অগ্নিকোণ’ বলা হয়। গ্যাস স্টোভ এই কোণে থাকলে তা শুভ বলে ধরা হয়। রান্না করার সময় মুখ পূর্ব দিকে থাকলে আরও ভালো। যদি কিচেন সেই অনুযায়ী না হয়, তা হলে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে কিছু সময়ের জন্য লাল আলো জ্বালিয়ে রাখা উপকারী বলে মনে করা হয়।

Advertisement

রঙ ও আলোতেও গুরুত্ব
ওপেন কিচেনে হালকা রং; যেমন ক্রিম, হালকা হলুদ, পিচ বা হালকা কমলা; শুভ বলে মনে করা হয়। অতিরিক্ত গাঢ় বা চড়া রং শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। চিমনি বা এক্সহস্ট ফ্যান ব্যবহার করলে ধোঁয়া ও গরম হাওয়া বাড়ির অন্য অংশে ছড়ায় না।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই আসল চাবিকাঠি
ওপেন কিচেন সবসময় চোখের সামনে থাকে। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাতের বেলা নোংরা বাসন ফেলে না রাখা, ঢাকনা-ওয়ালা ডাস্টবিন ব্যবহার করা এবং ভাঙা বাসনপত্র সরিয়ে ফেলা; এই অভ্যাসগুলি ইতিবাচক শক্তি বাড়ায় বলে বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখ আছে।

আধুনিক ডিজাইনের সঙ্গে যদি বাস্তুসম্মত পরিকল্পনা মিশে যায়, তা হলে ওপেন কিচেন শুধু সৌন্দর্যই বাড়াবে না, সংসারের শান্তি ও সমৃদ্ধিও বজায় রাখতে সাহায্য করবে; এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement