
রাজ্যের ডিএ মামলার শুনানি আগামী ১৫ মার্চ। মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩-এর শুনানিতে নির্দেশ দেয়, ১৫ মার্চ মামলার চূড়ান্ত শুনানি হবে। সেদিন কি আদৌ শুনানি হবে ? না ফের তারিখ পিছিয়ে যাবে? এই সংশয় ছিল সরকারি কর্মীদের মনে।
তবে সেই সংশয়ের নিরসন হল। কারণ সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে খবর, ১৫ মার্চই মামলার শুনানি হতে পারে। দেশের শীর্ষ আদালতের ওয়েনসাইটেও এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সেখানে দেখা যাচ্ছে, ১৫ মার্চেই এই মামলা উঠবে সুপ্রিম কোর্টে। আর সেদিনই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ হয় মামলা ডিসমিস করে দেবেন অর্থাৎ রাজ্য সরকারের দায়ের করা এসএলপি (Special Leave Petition) গৃহীত হবে। আইনজীবীদের একাংশের মতে, যদি মহামান্য বিচারপতিরা এসএলপি ডিসমিস করেন তাহলে তাহলে রায় সরকারি কর্মীদের পক্ষে যাবে। সেটা বোঝায়। আর যদি মামলা গৃহীত হয় তাহলে তা চলতে থাকবে।
এর আগের শুনানিতেই এই মামলার নিস্পত্তি হয়ে যেত বলে দাবি করেছিলেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ ছিল, স্বপন দে- নামে এক মামলাকারী ছিলেন। তবে তিনি মারা গেছেন। তাঁর স্ত্রী'কে পক্ষ করার আবেদন জানানো হয় সরকারের তরফে। এছাড়াও সরকারের তরফে কোর্ট ফিও জমা দেওয়া হয়নি। তাই মামলা পিছিয়ে যায়।
তবে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, মৃত স্বপন দে'র স্ত্রীকে ইতিমধ্যেই পক্ষ করা হয়েছে। সরকারি কর্মীদের মতে, তাই সেদিন মামলা পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এই মামলা নিয়ে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, বুধবার কলকাতা হাইকোর্টেও ডিএ-র আদালত অবমাননার মামলার শুনানি ছিল। মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ, ১৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে শুনানির পর সেই আদালত অবমাননার মামলা রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে উঠবে। আমাদের আশা মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট মামলা ডিসমিস করে দেবে। হাসি ফুটবে সরকারি কর্মীদের মুখে।'
আর এক মামলাকারী সংগঠন সরকারি কর্মচারি পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল বলেন, '১৫ মার্চ তারিখ সুপ্রিম কোর্টে মামলার চূড়ান্ত রায়। আদালতে শর্টনোট ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে। তাই আমাদের মনে হয়, মামলা পিছিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ সরকার পাবে না। যা তারা এতদিন ধরে করে এসেছে। সেদিনই চূড়ান্ত রায় দেবেন মাননীয় বিচারপতিরা বলে আমাদের বিশ্বাস।'