
বেসরকারি সংস্থার কর্মচারীদের জন্য সুখবর। কাল, শুক্রবার থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড বা EPFO-র সুদের টাকা। সূত্রের খবর, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রায় ৭ কোটি অ্যাকাউন্টে সুদের টাকা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য EPFO-র আমানতের ওপর ৮.২৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে।
ইপিএফ অ্যাকাউন্টে সুদ মাসিক ভিত্তিতে গণনা করা হলেও আর্থিক বছরের শেষে তা অ্য়াাকউন্টে জমা করা হয়। তবে সেই টাকা পেতে আর অপেক্ষা করতে হবে না। সম্প্রতি ইপিএফও সুদের হারে কেন্দ্রীয় অনুমোদন মেলায় কাল থেকেই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।
সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ এবছর সুদের হার ৮.২৫ শতাংশ রাখার সুপারিশ করেছিল। সেই মোতাবেক বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার ৮.২৫ শতাংশ বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রকে পাঠায় ইপিএফও। আর তাতে সবুজ সঙ্কেত দেয়। সূত্রের খবর, ৩ জুলাই থেকে EPFO-র অনলাইন পরিষেবাও পুনরায় চালু হচ্ছে।
১৯৫২ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত EPFO-তে সুদের হার ছিল ৩ থেকে ৪.৭৫ শতাংশ। ১৯৮৪ সালে প্রথম বার সুদের হার ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। ১৯৮৯ থেকে ৯৯-এই দীর্ঘ সময়ে EPF-এর সুদের হার ১২ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। ২০১৩-১৪ সালে সেটাই ছিল ৮.৭৫ শতাংশে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে তা হয় ৮.৮ শতাংশ। ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে EPF-এর সুদের হার ৮.১৫% থেকে বেড়ে হয় ৮.২৫%। এবারও তা অপরিবর্তিত রইল।
প্রসঙ্গত, বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা EPFO-র আওতায় আসেন। যদি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত সংখ্যক (সাধারণত ২০ বা তার বেশি) কর্মী থাকে এবং EPF আইন প্রযোজ্য হয়। কিছু স্বশাসিত সংস্থা, পাবলিক সেক্টর বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও EPFO-র সদস্য হতে পারেন। কেন্দ্রীয় ও অধিকাংশ রাজ্য সরকারি কর্মচারী সাধারণত EPFO-র আওতায় থাকেন না। তাঁরা সাধারণত NPS বা অন্য সরকারি পেনশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত থাকেন।