Advertisement

Gold এ মজে Gen Z, ঘরের সোনাই কি এবার কাজে লাগবে দেশোদ্ধারে

ভারতে সবার ঘরেই রয়েছে সোনা। তার পরিমাণ হাজার হাজার টন। ভারতই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে সাধারণ মানুষের কাছে এত পরিমাণ সোনা রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হল, দেশের অর্থনীতিতে এই সোনার কোনও ভূমিকা নেই।

জেন জির সোনা প্রেমজেন জির সোনা প্রেম
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 06 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:15 PM IST
  • সোনার প্রতি টান নতুন প্রজন্মের।
  • পরার চেয়ে বেশি আগ্রহ বিনিয়োগেই।

বহু বছর ধরে ভারতের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে গিয়েছে সোনা। একটা সময় সোনা কেনা ছিল ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার মাধ্যমও। মাঝে বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে জেল্লা হারিয়েছিল সোনা। কিন্তু জেন জি-র হাত ধরে তার জৌলুস ফিরছে। নতুন প্রজন্মের কাছে সোনা কেবল পরিবারের উত্তরাধিকার বা বিয়ের কেনাকাটার মধ্যে আর সীমাবদ্ধ নেই। সোনা হয়ে উঠছে বিনিয়োগের নতুন মাধ্যম।

অতিসম্প্রতি 'স্বর্ণিম উড়ান ২০৪৭' (Swarnim Udaan 2047) শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (WGC)। সেখানে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে ভারতের সোনার বাজার চালানোয় মূল ভূমিকা নিতে চলেছে নতুন প্রজন্ম অর্থাৎ 'জেন-জি' (Gen Z)। যুব সমাজের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান আয় এবং আর্থিক সচেতনতা বাড়ায় সোনা কেনা এবং এতে বিনিয়োগের পদ্ধতিতে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। 

ভারতে ঘরে ঘরে সোনা

ভারতীয়দের ঘরেই রয়েছে হাজার হাজার টন সোনা। ভারত বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে সাধারণ মানুষের ঘরে সবচেয়ে বেশি সোনা রয়েছে। এই সোনার একটা বড় অংশ বাড়ির আলমারিতে বা ব্যাঙ্কের লকারে। কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সোনার সরাসরি কোনও ভূমিকা নেই।

নতুন প্রজন্মের বিনিয়োগ

WGC-র রিপোর্ট অনুযায়ী, সোনায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের মানসিকতা আলাদা। আগের প্রজন্মের মতো খালি বিয়ে বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য গয়না কেনায় বিশ্বাসী নয় জেন জি। বরং ডিজিটাল গোল্ড (Digital Gold), গোল্ড ইটিএফ(Gold ETF) এবং গোল্ড মনিটাইজেশনের মতো আধুনিক বিনিয়োগের দিকেই তাদের আগ্রহ বেশি। ভবিষ্যতে ঘরে পড়ে থাকা নিষ্ক্রিয় সোনাকে দেশের কাজে লাগানো সহজ হবে। এতে যেমন বিনিয়োগের নতুন নতুন দিগন্ত খুলে যাবে, তেমনই দীর্ঘ মেয়াদে মজবুত করবে ভারতের অর্থনীতিকে। 

৩১৫ লক্ষ কোটি টাকার সোনা!

স্বর্ণিম উড়ান ২০৪৭ রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছে, ঘরে পড়ে থাকা সোনাকে দেশের আর্থিক ব্যবস্থার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে প্রায় ৩১৫ লক্ষ কোটি টাকা আসতে পারে দেশের অর্থনীতিতে। 

Advertisement

সোনার চাহিদা তুঙ্গেই থাকবে

তবে ওই রিপোর্টে এ-ও বলা হয়েছে, আগামী বছরগুলিতেও ভারতে সোনার চাহিদা থাকবে  তুঙ্গে। এই বিপুল চাহিদা মেটাতে ভারতকে তখনও বিদেশের আমদানির ওপরই নির্ভর করে থাকতে হবে। 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement