Advertisement

Gold Price Prediction: বিরাট সস্তা হতে পারে সোনা, আমেরিকার একটা সিদ্ধান্তেই হিসেব বদল

শীঘ্রই সোনার দাম কমতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি ও ডলারের শক্তি বৃদ্ধিকেই এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।

 মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি ও ডলারের শক্তি বৃদ্ধিকেই এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি ও ডলারের শক্তি বৃদ্ধিকেই এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 13 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:20 PM IST
  • সোনার দাম কি আরও কমবে?
  • আগামিদিনে সোনার দাম কমতে পারে, আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
  • বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এর পিছনে মূলত দু’টি কারণ রয়েছে।

সোনার দাম কি আরও কমবে? আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের একাংশের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নীতি এবং ডলার শক্তিশালী হওয়ার কারণে আগামিদিনে সোনার দাম কমতে পারে। ফলে যাঁরা সোনা কেনার পরিকল্পনা করছেন বা ইতিমধ্যেই বিনিয়োগ করেছেন, তাঁদের কপালে এখন চিন্তার মেঘ। 

চলতি বছরের শুরুতেই ছবিটা অন্যরকম ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল সোনার দাম। আউন্স প্রতি সোনার দাম ৫,৫৯৫ ডলারে পৌঁছায়। তবে তারপর থেকেই বাজারে 'কারেকশন পিরিয়ড' শুরু হয়। বর্তমানে সেই সর্বোচ্চ স্তর থেকে প্রায় ২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে সোনার দাম। ফলে সে সময় যাঁরা চড়া দামে সোনা কিনেছিলেন, তাঁরা মোটা টাকা লোকসান গুনছেন। 

তবে কিছুটা আশার আলোও দেখা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে সোনা এবং রুপোর গ্রাফ সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আউন্স প্রতি প্রায় ৪,২২২ ডলারে পৌঁছেছে। দেশের কমোডিটি মার্কেট MCX-এ ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১.১৭ শতাংশ বেড়ে ১,৫০,৬৭৫ টাকায় ক্লোজ হয়েছে।

তাহলে সোনার দাম কমার আশঙ্কা কেন?
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এর পিছনে মূলত দু’টি কারণ রয়েছে।
প্রথমত, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ। অদূর ভবিষ্যতে তারা সুদের হার আরও বাড়াতে পারে। এমনই জল্পনা তুঙ্গে।
দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাধারণত মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি এবং ডলার, এই দু’টির উপরই সোনার দর নির্ভর করে। সুদ বেশি পেলে বা ডলার পাওয়ারফুল বিনিয়োগকারীরা আর সোনায় টাকা আটকে রাখেন না। সোনা বেচতে শুরু করেন। স্বাভাবিকভাবেই সোনার দাম কমে যায়। ফলে আগামিদিনে সোনার দাম কমার আশঙ্কা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিও সোনার বাজারে প্রভাব ফেলছে। বর্তমানে ওই অঞ্চল বেশ অস্থির। তার জেরে অপরিশোধিত তেলের দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রভাব বাজার অর্থনীতিতে।

বাজার পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমলে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮০ ডলারের আশপাশে নেমে এলে সোনা ও রুপোর বাজারে নতুন করে ব্যালেন্স তৈরি হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে তেলের দাম প্রায় ৯০ ডলার। ফলে বাজার জুড়ে এক অনিশ্চয়তার পরিবেশ বিরাজ করছে। 

Advertisement

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানও সোনার দাম কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের মতে, সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলে আপাতত শর্ট টার্মে সোনার দাম আরও কমতে পারে। কতটা কমবে? আউন্স প্রতি ৩,৮৫০ থেকে ৪,০০০ ডলারের মধ্যে নেমে আসতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

তবে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। সোনার দামের পিছনে একাধিক ফ্যাক্টর কাজ করে। তাই শুধুমাত্র একটি পূর্বাভাসের ভিত্তিতেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত না নেওয়াই শ্রেয়। বাজার পরিস্থিতি এবং ঝুঁকি বিবেচনা করেই এগনো উচিত। 

বিঃদ্রঃ বিনিয়োগ সংক্রান্ত এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ তথ্যভিত্তিক। এটি কোনও বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। সোনা বা অন্য কোনও খাতে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Read more!
Advertisement
Advertisement