Advertisement

Haldia Phenol Plant: পুজোর মুখেই হলদিয়ায় ৬০০০ কোটির বিনিয়োগ, দেশের সবচেয়ে বড় ফেনল প্ল্যান্ট

Phenol Plant: ৬০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে হলদিয়াতে গড়ে উঠছে দেশের সবচেয়ে বড় ফেনল প্ল্যান্ট। এই প্ল্যান্টে বছরে প্রায় ৩৪৫ হাজার টন ফেনল উৎপাদিত হতে পারে।

পুজোর মুখেই হলদিয়ায় ৬০০০ কোটির বিনিয়োগপুজোর মুখেই হলদিয়ায় ৬০০০ কোটির বিনিয়োগ
Aajtak Bangla
  • হলদিয়া,
  • 18 Aug 2026,
  • अपडेटेड 3:19 PM IST
  • হলদিয়াতেও বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ পাচ্ছে রাজ্য।
  • আগামী ১৪ অক্টোবর এই প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
  • পাশাপাশি নতুন এই কারখানা তৈরি হলে বঙ্গে কর্মসংস্থানও গড়ে উঠবে।

বাংলায় শিল্পের জোয়ার। সোমবারই পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে শুধু পুরুলিয়া নয়, হলদিয়াতেও বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ পাচ্ছে রাজ্য। হলদিয়ায় গড়ে উঠতে চলেছে দেশের সবচেয়ে বড় ফেনল প্ল্যান্ট। সব ঠিক থাকলে, আগামী ১৪ অক্টোবর এই প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবার শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের নিজেই জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরে ১৪ অক্টোবর  হলদিয়ায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের ৬,০০০ কোটি টাকার ফেনল এবং অ্যাসিটোন প্ল্যান্টের উদ্বোধন করতে চলেছেন। এটি ভারতের প্রথম ‘অন-পারপাস’ প্রোপিলিন প্ল্যান্টও বহন করবে, যা ওলেফিন কনভার্সন টেকনোলজি বা ওসিটি প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। হলদিয়ার এই কারখানাটি হতে চলেছে দেশের বৃহত্তম ফেনল উৎপাদন ইউনিট। বছরে প্রায় ৩৪৫ হাজার টন ফেনল উৎপাদিত হতে পারে এই কারখানায়।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। অক্টোবরে এই কারখানা উদ্বোধন হলেই তা হলদিয়ার পেট্রোকেমিক্যাল ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করবে, এবং একইসঙ্গে  পশ্চিমবঙ্গকে একটি প্রধান রাসায়নিক ও পেট্রোকেমিক্যাল কেন্দ্র হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত করবে।

HPCL-এর চেয়ারপার্সন পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিরেক্টর ও CEO নবনীত নারায়ণ-সহ অন্য আধিকারিকদের নিয়ে নির্মাণ সাইটের কাজ ঘুরে দেখেন ও চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ নিয়ে কিছু নির্দেশনাও দেন।

উল্লেখ্য বিষয় হল, ফেনল মূলত প্লাস্টিক, ফার্মাসিউটিক্যালস, পেইন্ট, অ্যাডহেসিভ, ইলেকট্রনিক্সসহ নানা ক্ষেত্রে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। হলদিয়াতেই এটি তৈরি হওয়ায় HPCL -এর  আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং উৎপাদন খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

পাশাপাশি নতুন এই কারখানা তৈরি হলে বঙ্গে কর্মসংস্থানও গড়ে উঠবে। প্রাথমিক ভাবে কোনও সংখ্যা না জানানো হলেও, এই প্রকল্প তৈরিতে প্রথমে  শ্রমিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে পরবর্তী পর্যায়ে অর্থাৎ প্লান্ট চালু হলে সেটি চালানোর জন্য শ্রমিক ও উচ্চপদস্থ কর্মীও নিয়োগ করবে কোম্পানি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement