Advertisement

ভারতের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাণিজ্যের অভিযোগ আমেরিকার, তদন্ত শুরু করল ট্রাম্প প্রশাসন

অবৈধভাবে বাণিজ্য চালানোর অভিযোগে ভারতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকা। জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তার জেরে ভারত ও আমেরিকার সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 13 Mar 2026,
  • अपडेटेड 6:07 PM IST
  • অবৈধভাবে বাণিজ্য চালানোর অভিযোগে ভারতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকা
  • জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন

অবৈধভাবে বাণিজ্য চালানোর অভিযোগে ভারতের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকা। জানিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তার জেরে ভারত ও আমেরিকার সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই তদন্তের জেরে আপাতত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

প্রতিবেদনে প্রকাশ, ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে কাঠামোগত অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা এবং অতিরিক্ত রফতানির অভিযোগে ভারতসহ মোট ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকা। এই তদন্তের প্রভাবেই নাকি নয়াদিল্লি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন করে ভাবছে। যদিও ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক এই খবরকে 'গুজব' বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বরং জানানো হয়েছে, দুই দেশই বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ধীরগতি

গত ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পর থেকেই ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য আলোচনার গতি কমে যায়। ওই রায়ে কিছু শুল্ক বাতিল করা হয়, যার ফলে ট্রাম্পের দেশকে তাদের ট্যারিফ নীতি পুনর্বিবেচনা করতে হয়। তারপরই শুরু হওয়া আমেরিকার তদন্ত আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তোলে। 

'চুক্তিতে তাড়াহুড়ো নেই'

প্রতিবেদনে এক সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ভারত বাণিজ্য চুক্তি করতে একেবারেই তাড়াহুড়ো করবে না। ওই সূত্রের আরও দাবি, সাম্প্রতিককালে আমেরিকা যে যে পদক্ষেপ করছে তা আসলে অন্য দেশগুলোকে চাপে রাখার জন্য। সেই চাপের মুখে পড়ে ভারত কোনও বাণিজ্য করতে রাজি নয়। 

৩০১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত

আমেরিকার অভিযোগ, কয়েকটি দেশে (ভারতও) শিল্প উৎপাদন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হওয়ায় তারা কম দামে পণ্য রফতানি করছে। ফলে আমেরিকার সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই তদন্তে স্টিল, কেমিক্যাল, অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিক্স এবং সোলারসহ একাধিক শিল্প রয়েছে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই আইনের মাধ্যমে আমেরিকা যেসব দেশকে অন্যায্য বাণিজ্য নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে শুল্ক বৃদ্ধি বা অন্যান্য বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement