Advertisement

ITR Filing Mistakes: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এই ১০ ভুল করেন অনেকেই, জেনে সাবধান হোন

আগামী ৩১ জুলাই রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ। আয়কর দাখিলের সময় তাই ১০ ভুল একদম করবেন না। এতে পরবর্তীকালে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন।

ITR Filing করার সময় এই ১০ ভুল নয়।ITR Filing করার সময় এই ১০ ভুল নয়।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 29 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:00 AM IST
  • করদাতারা সাধারণত কোন ১০টি ভুল করেন।
  • জেনে নেওয়া যাক কোন কোন ভুল করবেন না।

আয়কর রিটার্ন বা আইটিআর ফাইল শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী ৩১ জুলাই রিটার্ন দাখিল করার শেষ দিন। আয়কর দফতরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ৪০ লক্ষেরও বেশি মানুষ তাঁদের আয়কর রিটার্ন জমা দিয়ে দিয়েছেন। তবে প্রতি বছরই বহু করদাতা সাধারণ অথচ গুরুতর ভুল করে বসেন। এর ফলে অনেককেই আয়কর দফতরের নোটিস, জরিমানা বা রিফান্ড পেতে দেরির মতো সমস্যার মুখে পড়েন। চলুন দেখে নেওয়া যাক, করদাতারা সাধারণত কোন ১০টি ভুল করেন

ভুল ফর্ম নির্বাচন- করদাতারা সাধারণত প্রথম ভুলটি করেন সঠিক ফর্ম বেছে নিতে না পারা।  কোনও করদাতা তাঁর আয়ের উৎস অনুযায়ী সঠিক আইটিআর ফর্মের পরিবর্তে ভুল ফর্ম বেছে নেন, তবে আয়কর দফতর সেই রিটার্ন বাতিল বা অমান্য ঘোষণা করতে পারে। ভুল ফর্ম বাছার কারণে নতুন করে রিটার্ন ফাইল করতে হতে পারে। আটকে যাবে রিফান্ডও। উদাহরণ হিসেবে, আইটিআর-১ ফর্মটি হল যাঁদের বার্ষিক মোট আয় ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এবং আয়ের মূল উৎস বেতন বা বাড়ি ভাড়া ইত্যাদি।

আয় গোপন- অনেক করদাতা নিজের আসল আয় লুকিয়ে যান। মনে রাখবেন, আইটিআর জমা দেওয়ার সময় সব ধরণের আয়ের উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নিজের আয় বা সম্পত্তির খতিয়ান গোপন করলে আইনি জটিলতায় জড়াতে পারেন। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, টিডিএস স্টেটমেন্ট, ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে খুব সহজেই রিটার্নের অসঙ্গতি ধরে ফেলে আয়কর দফতর।

ভুয়ো ছাড়ের দাবি- একটি সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৩ বছরে বহু চাকরিজীবীকে নোটিস পাঠিয়েছে আয়কর দফতর। ২০২৫ সালেও দফতর বড় সংখ্যক করদাতাকে বার্তা পাঠিয়ে তাঁদের ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের রিটার্ন সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছিল। দেখা গিয়েছিল, বহু করদাতা বাড়ি ভাড়া ভাতা বা দানের ভুয়ো রসিদ দেখিয়ে কর ছাড়ের বেআইনি সুবিধা নিয়েছিলেন।

AIS এবং ফর্ম 26 AS-এর অমিল- ফর্ম ১৬, এআইএস এবং ফর্ম ২৬এএস-এর তথ্যের মধ্যে কোনও গরমিল থাকলে আয়কর দফতর থেকে সরাসরি নোটিস আসতে পারে।

Advertisement

নির্দিষ্ট সময়সীমা পার- সাধারণত চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীরা আইটিআর-১ এবং আইটিআর-২ ফর্মপূরণ করেন। এই ফর্মগুলি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ জুলাই। এই নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। সব ব্যবসায়ী বা পেশাদারদের অ্যাকাউন্টের অডিট করার প্রয়োজন নেই, তাঁদের জন্য আইটিআর-৩ এবং আইটিআর-৪ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ অগাস্ট, ২০২৬।

রিটার্ন ভেরিফাই না করা- রিটার্ন করার পর অনেকেই সেটি ভেরিফাই করতে ভুলে যান। রিটার্ন জমা দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সেটির ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে পুরো রিটার্নটিই বাতিল বলে গণ্য হবে।

ভুল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর- রিটার্ন পূরণের সময় তাড়াহুড়োয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা IFSC ভুল দেন অনেকে। এমনটা হলে প্রাপ্য রিফান্ডের টাকা আটকে যাবে। তাই জমা দেওয়ার আগে তা ভালো করে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।

পুরনো বনাম নতুন কর কাঠামো- ভুল Tax Regime বাছার ফলে করের বোঝা যেমন বাড়তে পারে, তেমনই হাতছাড়া হতে পারে কর ছাড়ের সুবিধাও। তাই রিটার্ন দাখিলের আগে পুরনো ও নতুন কর কাঠামোর মধ্যে কোনটিতে কত ট্যাক্স হচ্ছে, তা হিসেব করে নেওয়াই শ্রেয়।

মূলধনী আয়ের তথ্য গোপন- শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড বা জমি-বাড়ি বিক্রি থেকে হওয়া লাভের হিসেব দেন না অনেকেই। কিন্তু রিটার্নের সঠিক তথ্য দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ক্যাপিটাল গেনের তথ্য গোপন করলে রিটার্ন বাতিল হওয়ার পাশাপাশি আয়কর দফতরের নোটিসও আসতে পারে।

পুরনো সংস্থার আয় গোপন- চলতি অর্থবর্ষে চাকরি বদলে থাকলে বর্তমান এবং পূর্ববর্তী, দুই সংস্থাই আলাদা আলাদা ফর্ম ১৬ দেয়। দুটি সংস্থা থেকে মোট কত বেতন পেয়েছেন এবং কত টাকা কর কাটা হয়েছে, তার উল্লেখ আইটিআরে থাকা দরকার। এর জন্য পুরনো সংস্থার থেকে ফর্ম ১৬ নিতে ভুলবেন না।

Read more!
Advertisement
Advertisement