Advertisement

ITR দাখিলের সময় এই ৫ ভুল করলেই উল্টে গুনতে হবে জরিমানা, সাবধান

ITR ফাইল করার শেষ দিন প্রায় এগিয়ে এসেছে। হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র ১৩ দিন। রিটার্ন দাখিলের আগে নিয়ম জানুন।

ITR দাখিলের সময় এই ৫টি ভুল ভুলেও করবেন নাITR দাখিলের সময় এই ৫টি ভুল ভুলেও করবেন না
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 18 Jul 2026,
  • अपडेटेड 2:17 PM IST
  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ এগিয়ে আসছে।
  • করদাতাদের জন্য শেষ দিন রয়েছে আগামী ৩১ জুলাই।
  • শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রিটার্ন দাখিল করে দেওয়া উচিত।

আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ এগিয়ে আসছে।  আইটিআর-১ এবং আইটিআর-২ দাখিলকারী সাধারণ করদাতাদের জন্য শেষ দিন রয়েছে আগামী ৩১ জুলাই। অর্থাৎ হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র ১৩ দিন। আয়কর বিভাগের পরামর্শ, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রিটার্ন দাখিল করে দেওয়া উচিত।

আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করার সময় একটি ছোট ভুলের ফলেও ট্যাক্স নোটিশ, অতিরিক্ত কর বা বড় অঙ্কের জরিমানা চাপতে পারে। যে সব করদাতা চাকরি পরিবর্তন করেন, যারা ভুল ট্যাক্স রেজিম বেছে নিয়েছেন এবং যাদের বিদেশে সম্পদ রয়েছে, তাঁদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।

শুধু ফর্ম ১৬-এর উপর নির্ভর করা উচিত নয়

অনেক কর্মচারী শুধুমাত্র ফর্ম ১৬-তে দেওয়া তথ্য ব্যবহার করে তাঁদের আয়কর রিটার্ন (ITR) দাখিল করেন। ফর্ম ১৬-তে সাধারণত বেতন এবং তার উপর টিডিএস (TDS) সংক্রান্ত তথ্য থাকে। কিন্তু, এতে সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদ, ফিক্সড ডিপোজিট থেকে পাওয়া আয় এবং অন্যান্য আয় সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয় না। তাই, রিটার্ন দাখিল করার আগে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, TIS, বিনিয়োগের রেকর্ড দেখে ITR ফাইল করা উচিত।

তুলনা না করে TAX সিস্টেম নির্বাচন করা জরুরি

করদাতারা প্রায়ই পুরনো এবং নতুন কর ব্যবস্থার তুলনা না করেই একটি অপশন বেছে নেন।  নতুন ব্যবস্থায় ট্যাক্স স্ল্যাব অনুযায়ী করের হার কম হতে পারে, তবে এটিতে HRA, LTA, গৃহ ঋণের সুদ এবং ধারা 80C, 80D, এবং 80CCD(1B)-এর মতো বেশ কিছু ছাড় বাদ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, পুরনো কর ব্যবস্থায় একাধিক ছাড় রয়েছে। ফলে দুটি ভিন্ন ব্যবস্থার মধ্যে তুলনা করেই সঠিক অপশনটি বেছে নেওয়া উচিত।

কখন ছাড় দাবি করতে পারেন?

80C, 80D, 80G এবং অন্যান্য ধারায় আওতায় ছাড় তখনই দাবি করা উচিত, যখন তার সত্যতা থাকে। শুধুমাত্র কোম্পানিকে দেওয়া বিনিয়োগের আনুমানিক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে ক্লেইম করলে সমস্যাজনক হতে পারে। বিমার প্রিমিয়াম, ELSS, PF, গৃহঋণ পরিশোধ এবং অনুদান সংক্রান্ত রসিদগুলো যাচাই করা জরুরি।

Advertisement

বোনাস এড়িয়ে যাবেন না

বোনাস, বকেয়া বেতন, অগ্রিম বেতন, ভিআরএস ক্ষতিপূরণ এবং অবসরকালীন ভাতার উপর চাপানো কর সম্পর্কে রিটার্নে সঠিক তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

রিটার্ন দাখিলের পর ভেরিফাই করা দরকার

শুধু আপনার ITR জমা দিলেই হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে  আধার ওটিপি, নেট ব্যাঙ্কিং, অথবা ব্যাঙ্ক বা ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এটি ভেরিফিকেশন করতে হবে। ভেরিফাই না হলে রিটার্ন অবৈধ হতে পারে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement