Advertisement

সিলিন্ডার প্রতি ১৮ টাকা বাড়তে পারে রান্নার গ্যাসের দাম, কবে থেকে কার্যকর?

সূত্রের দাবি, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক প্রতি কেজি LPG-তে ১.২৯ টাকা অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব দিয়েছে। এতে একটি ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির LPG সিলিন্ডারের দাম প্রায় ১৮ টাকা বাড়তে পারে।

LPG-র দাম বাড়তে পারে LPG-র দাম বাড়তে পারে
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও কলকাতা ,
  • 05 Aug 2026,
  • अपडेटेड 5:18 PM IST
  • সূত্রের দাবি, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক প্রতি কেজি LPG-তে ১.২৯ টাকা অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব দিয়েছে
  • এতে একটি ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির LPG সিলিন্ডারের দাম প্রায় ১৮ টাকা বাড়তে পারে

রান্নার গ্যাসের (LPG) দাম ফের বাড়তে পারে। এক ধাক্কায় সিলিন্ডার প্রতি ১৮ টাকা বাড়তে পারে। ফলে অনেকটাই বেশি দামে রান্নার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার  কিনতে হতে পারে সাধারণ মানুষকে। সূত্রের খবর, রান্নার গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তা অনুমোদন পেলেই নতুন দাম কার্যকর হতে পারে। 

সূত্রের খবর, রান্নার গ্যাস (LPG) ও প্রাকৃতিক গ্যাসের (Natural Gas) গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে ৪২ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি মজুত গড়ে তৌলার পরিকল্পনা রয়েছে। বুধবার এই খবরটি সামনে এনেছে রয়টার্স। 

ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ার পরই এই পরিকল্পনা নিয়েছে মোদী সরকার। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে, প্রথমবারের মতো ভারতের কৌশলগত জ্বালানি মজুত কর্মসূচিতে শুধু অপরিশোধিত তেল নয়, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এবং রান্নার গ্যাস (LPG)-কেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কত বাড়তে পারে রান্নার গ্যাসের দাম?

সূত্রের দাবি, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক প্রতি কেজি LPG-তে ১.২৯ টাকা অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব দিয়েছে। এতে একটি ১৪.২ কেজির গৃহস্থালির LPG সিলিন্ডারের দাম প্রায় ১৮ টাকা বাড়তে পারে। এই শুল্ক থেকে বর্তমান ব্যবহার অনুযায়ী বছরে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায় হতে পারে।

অন্যদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রে প্রতি স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক মিটার (SCM)-এ ১.৪৩ টাকা শুল্কের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে। দুই ক্ষেত্রের শুল্ক মিলিয়ে বছরে মোট প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

কোথায় খরচ হবে এই টাকা?

প্রায় ৪২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প আগামী ১০ বছরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। মোট ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি খরচ হবে সংরক্ষণাগার তৈরিতে। বাকি অর্থ ব্যয় হবে জ্বালানির মজুত গড়ে তুলতে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতের কাছে থাকবে দুই মাসের চাহিদা মেটানোর মতো অপরিশোধিত তেল ও LNG-এর মজুত। প্রায় ছয় সপ্তাহের LPG মজুত। 

Advertisement

কীভাবে অর্থায়ন হবে?

LPG ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সংরক্ষণাগার নির্মাণের অর্থ আসবে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা এই অতিরিক্ত শুল্কের মাধ্যমে। অপরিশোধিত তেলের কৌশলগত মজুতের অর্থায়ন আগের মতোই কেন্দ্রীয় সরকার করবে।

তবে সূত্রের দাবি, প্রস্তাবটি এখনও বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। প্রস্তাব কার্যকর হলে গৃহস্থালির গ্যাসের বিল গড়ে প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement