Advertisement

Nirmala 3 Fs: যুদ্ধে টালমাটাল বিশ্ব, অর্থনীতি কীভাবে সামলাবেন? সহজ ফর্মুলা নির্মলার

Nirmala Sitharaman Focuses On 3Fs: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জের। ক্রমেই চাপ বাড়ছে ভারতের অর্থনীতির উপর। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে ‘3Fs’ ফর্মুলাতেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র।

দেশের অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে ‘3Fs’ ফর্মুলাতেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে ‘3Fs’ ফর্মুলাতেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 May 2026,
  • अपडेटेड 8:25 PM IST
  • ক্রমেই চাপ বাড়ছে ভারতের অর্থনীতির উপর।
  • এহেন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে ‘3Fs’ ফর্মুলাতেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র।
  • মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে এমনই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

Nirmala Sitharaman Focuses On 3Fs: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জের। ক্রমেই চাপ বাড়ছে ভারতের অর্থনীতির উপর। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে ‘3Fs’ ফর্মুলাতেই জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে এমনই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন(Nirmala Sitharaman)। এই থ্রি এফ কী? নির্মলা জানালেন, এখন সরকারের নজর মূলত তিনটি বিষয়ের উপর। Fuel (জ্বালানি), Fertiliser (সার) এবং Forex (বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার)।

অর্থমন্ত্রীর মতে, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময়ে এই তিনটি ক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেই অর্থনীতির উপর কোনও বড় ধাক্কা সামাল দেওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে বিদেশি মুদ্রা সঞ্চয় এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমানোর উপরেও জোর দিয়েছেন নির্মলা। বিশেষত সোনা আমদানি কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী যে আবেদন করেছিলেন, তাতেও সমর্থন জানান।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অপরিশোধিত তেল আমদানিকারী দেশ। ফলে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়তেই দেশে জ্বালানির দামে চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ওঠানামা করছে। তার প্রভাব পড়ছে ভারতের বাজারেও।

পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনই চাপ বাড়ছে পরিবহণ খাতেও। মে মাসেই একাধিকবার জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে তেল সংস্থাগুলি। অর্থমন্ত্রীর কথায়, পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র আবগারি শুল্ক কমিয়েছে। তবে তার ফলে সরকারি আয়ে বড়সড় ধাক্কা লাগতে পারে। কেন্দ্রের আশঙ্কা, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে।

শুধু জ্বালানি নয়, দেশের MSME সেক্টর নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নির্মলা। তাঁর দাবি, ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলির কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা আটকে রয়েছে। প্রায় ৮.১ লক্ষ কোটি টাকার বকেয়া। সেই টাকা সময়মতো না মেটানোয় সমস্যায় পড়ছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। কাজ চালানোর মূলধনের অভাবে বহু সংস্থা চাপে রয়েছে।

এহেন পরিস্থিতিতে সমস্ত PSU বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। MSME-র বকেয়া ৪৫ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে বলেও জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দ্রুত টাকা মেটানো হলে ছোট ব্যবসাগুলির লিকুইডিটি (liquidity) পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

Advertisement

একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন নির্মলা। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট কঠিন। তবে এখনও ভারতীয় অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে ভাল পজিশনেই রয়েছে বলে আশ্বাস দেন।অর্থমন্ত্রীর কথায়, ভয় নয়। পরিস্থিতি বুঝে সাবধানে এগিয়ে চলাই এখন একমাত্র লক্ষ্য।  

Read more!
Advertisement
Advertisement