Advertisement

Jeevan Pramaan-Pensioners : বন্ধ হয়ে যেতে পারে পেনশন, জীবন প্রমাণপত্র জমা নিয়ে বিরাট আপডেট

পেনশনভোগীর আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে এই ডিজিটাল শংসাপত্র তৈরি হয়। ফলে প্রতি বছর পেনশন প্রদানকারী সংস্থার কাছে গিয়ে কাগজে-কলমে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

পেনশনারদের জন্য খবর পেনশনারদের জন্য খবর
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 05 Nov 2026,
  • अपडेटेड 4:15 PM IST
  • জীবন প্রমাণ হল কেন্দ্রীয় সরকারের চালু করা আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট
  • পেনশনভোগী জীবিত রয়েছেন, তার প্রমাণ হিসেবেই এই শংসাপত্র ব্যবহার করা হয়

পেনশন পান যাঁরা, তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের জীবন প্রমাণপত্র বা 'জীবন প্রমাণ' সার্টিফিকেট (Jeevan Pramaan) আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই শংসাপত্র জমা না দিলে পেনশন পেতে সমস্যা হতে পারে। পেনশন যাতে কোনওভাবেই বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে সময়সীমার মধ্যে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পেনশনভোগীদের জন্য এই প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে একাধিক ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)। বাড়িতে বসেই UMANG অ্যাপের মাধ্যমে ফেস অথেন্টিকেশন করে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়া যায়। এ ছাড়াও ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্কের (IPPB) মাধ্যমে বিনামূল্যে বাড়িতে বসে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। চাইলে নিকটবর্তী EPFO অফিস বা কমন সার্ভিস সেন্টারেও (CSC) যাওয়া যেতে পারে।

সম্প্রতি X-এ একটি পোস্টে EPFO জানিয়েছে, পেনশনভোগীদের জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ। UMANG অ্যাপের মাধ্যমে ফেস অথেন্টিকেশন, IPPB-র বিনামূল্যের ডোরস্টেপ পরিষেবা এবং EPFO অফিস বা CSC-তে গিয়ে এই কাজ করা সম্ভব।

জীবন প্রমাণপত্র কী?

জীবন প্রমাণ হল কেন্দ্রীয় সরকারের চালু করা আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট। পেনশনভোগী জীবিত রয়েছেন, তার প্রমাণ হিসেবেই এই শংসাপত্র ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে পেনশন প্রদানকারী সংস্থা নিশ্চিত হতে পারে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পেনশন পাওয়ার যোগ্য রয়েছেন।

পেনশনভোগীর আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক তথ্যের ভিত্তিতে এই ডিজিটাল শংসাপত্র তৈরি হয়। ফলে প্রতি বছর পেনশন প্রদানকারী সংস্থার কাছে গিয়ে কাগজে-কলমে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

জীবন প্রমাণপত্র জমা দিতে কী কী লাগবে?

ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার আগে কয়েকটি তথ্য ও নথি হাতের কাছে রাখা জরুরি। সেগুলি হল:

সক্রিয় আধার নম্বর, যা পেনশনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

Advertisement

পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (PPO) নম্বর।

পেনশন প্রদানকারী সংস্থার বিস্তারিত তথ্য। যেমন, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের শাখার তথ্য।

সক্রিয় মোবাইল নম্বর, যেখানে OTP এবং জমা দেওয়ার সংক্রান্ত নিশ্চিতকরণ বার্তা আসবে।

কীভাবে জমা দেবেন জীবন প্রমাণপত্র?

পেনশনভোগীদের সামনে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার একাধিক পথ খোলা রয়েছে।

১. UMANG অ্যাপ: মোবাইলে UMANG অ্যাপ ব্যবহার করে ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যায়।

২. IPPB-র ডোরস্টেপ পরিষেবা: ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্কের মাধ্যমে বিনামূল্যে বাড়িতে বসেই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুবিধা পাওয়া যায়।

৩. EPFO অফিস: নিকটবর্তী EPFO অফিসে গিয়েও জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়া সম্ভব।

৪. কমন সার্ভিস সেন্টার (CSC): নিকটবর্তী CSC-তে গিয়েও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

তাই যাঁরা পেনশন পান, তাঁদের ৩০ নভেম্বরের সময়সীমার কথা মাথায় রাখা জরুরি। পেনশন পেতে যাতে কোনও বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০২৬ সালের জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement