Advertisement

Labour Code Bonus : এত টাকার কম স্যালারিতে মিলবে মোটা বোনাস, নতুন লেবার কোডে বড় ঘোষণা

চাকরিজীবীদের জন্য বড় খবর। বেসরকারি কর্নমীরা পাবেন বোনাস। নতুন শ্রম বিধি বা লেবার কোড অনুযায়ী বোনাস পাবেন অনেক কর্মচারী। কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক এই মর্মে দুটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও কলকাতা ,
  • 08 Sep 2026,
  • अपडेटेड 7:52 PM IST
  • যাঁদের মাসিক বেতন ২১ হাজার টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে বোনাস দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়
  • ২১ হাজার টাকার বেশি বেতন পাওয়া কর্মীকে কোম্পানিকে বোনাস দিতেই হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা থাকছে না

চাকরিজীবীদের জন্য বড় খবর। নতুন শ্রম বিধি বা লেবার কোড অনুযায়ী বোনাস পাবেন অনেক কর্মচারী। কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক এই মর্মে দুটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই অনুযায়ী, মাসে ২১ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পাওয়া কর্মীরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে বোনাস পাওয়ার যোগ্য হবেন। শুধু তাই নয়, যোগ্য কর্মীকে এই বোনাস দেওয়া নিয়োগকর্তার জন্য বাধ্যতামূলক।

অন্যদিকে, যাঁদের মাসিক বেতন ২১ হাজার টাকার বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে বোনাস দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অর্থাৎ, ২১ হাজার টাকার বেশি বেতন পাওয়া কর্মীকে কোম্পানিকে বোনাস দিতেই হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা থাকছে না।

নতুন নিয়মে কারা বোনাস পাবেন?

'কোড অন ওয়েজেস, ২০১৯'-এর ধারা ২৬(১) অনুযায়ী, মাসে ২১ হাজার টাকার কম বেতন পাওয়া কর্মীরা নির্দিষ্ট শর্তে বোনাস পাওয়ার যোগ্য। তবে এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। সেটি হল, সংশ্লিষ্ট কর্মীকে একটি আর্থিক বছরে অন্তত ৩০ দিন কাজ করতে হবে। অর্থাৎ, শুধু বেতন ২১ হাজার টাকার মধ্যে হলেই বোনাস পাওয়া যাবে না। ওই আর্থিক বছরে অন্তত ৩০ দিন কাজ করার শর্তও পূরণ করতে হবে।

কত টাকা বোনাস পাবেন?

নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য কর্মীদের বছরে ন্যূনতম ৮.৩৩ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়া যেতে পারে। তবে বোনাস হিসাব করার সময় পুরো বেতন ধরা হবে না। এর জন্য একটি নির্দিষ্ট হিসাব রয়েছে।

বোনাস গণনার ক্ষেত্রে মাসে ৭ হাজার টাকা অথবা সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম মজুরি- যেটি বেশি, সেটিকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে।

ধরা যাক, কোনও কর্মীর মাসিক বেতন ১৫ হাজার টাকা। কিন্তু তিনি যে রাজ্যে কাজ করছেন, সেখানে তাঁর কাজের জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ১০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে বোনাস হিসাব করার সময় ১৫ হাজার টাকা নয়, ১০ হাজার টাকা ধরা হবে। আবার কোনও কর্মীর ন্যূনতম মজুরি যদি ৭ হাজার টাকার বেশি হয়, তাহলে সেই বেশি অঙ্কটিই বোনাস হিসাবের ভিত্তি হবে।

Advertisement

একটি উদাহরণে বিষয়টি আরও সহজে বোঝা যাক।

ধরা যাক, কোনও কর্মীর মাসিক ন্যূনতম বেতন ১২ হাজার টাকা। যেহেতু ১২ হাজার টাকা, ৭ হাজার টাকার চেয়ে বেশি, তাই বোনাস হিসাবের ভিত্তি হবে ১২ হাজার টাকা। তাহলে হিসাবটা হবে- 

১২,০০০ × ৮.৩৩% × ১২ = প্রায় ১১,৯৯৫ টাকা

অর্থাৎ, এই হিসাব অনুযায়ী বছরে ন্যূনতম প্রায় ১১,৯৯৫ টাকা বোনাস হাতে পেতে পারেন। 

তবে মনে রাখতে হবে, বোনাসের সর্বোচ্চ সীমা ২০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ, ৮.৩৩ শতাংশ হল ন্যূনতম হারের হিসাব।

কবে দিতে হবে বোনাস?

বোনাস পাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল- এই টাকা কবে হাতে আসবে? 'কোড অন ওয়েজেস, ২০১৯'-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী, হিসাব বছর শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কর্মীর বোনাসের টাকা তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, হিসাব বছর শেষ হওয়ার আট মাসের মধ্যে বোনাসের টাকা দেওয়ার কথা।

তবে কোনও নিয়োগকর্তা যদি যথেষ্ট কারণ দেখিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন, তাহলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো যেতে পারে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

কাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই নিয়ম?

নতুন নিয়মটি বিশেষ করে সেই সমস্ত কর্মীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাঁদের মাসিক বেতন ২১ হাজার টাকার মধ্যে। তবে শুধু বেতনসীমার মধ্যে থাকলেই হবে না, হিসাব বছরে অন্তত ৩০ দিন কাজ করার শর্তও পূরণ করতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ২১ হাজার টাকার বেশি বেতন পাওয়া কর্মীদের জন্য এই বোনাস বাধ্যতামূলক নয়। ফলে তাঁদের ক্ষেত্রে বোনাস দেওয়া হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ও সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

অর্থাৎ, নতুন শ্রমবিধির এই নিয়মে বেতনসীমা, ন্যূনতম কাজের দিন এবং বোনাসের হিসাব- তিনটিই কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিজের বেতন এবং কর্মদিবসের হিসাব মিলিয়ে দেখে বোঝা যাবে, আপনি এই বোনাসের আওতায় পড়ছেন কি না।

Read more!
Advertisement
Advertisement