
কয়েক দিন হু হু করে বাড়ছিল শেয়ারবাজার। লাভের মুখ দেখছিলেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও মঙ্গলবার এই উত্থানে লেগেছে ব্রেক। আজ সেনসেক্স এবং নিফটি, দুই ইন্ডেক্সই পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আবার উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি। যার ফলে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আর এমন পরিস্থিতিতে প্যানিক মোডে চলে গিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। যার ফলে গোটা বিশ্বের শেয়ারবাজারই আজ নিম্নমুখী। আর সেই ট্রেন্ড ধরে আজ নেমেছে সেনসেক্স এবং নিফটি।
মঙ্গলবার ভারতের ৩০ শেয়ারের সেনসেক্স ৩০০ পয়েন্ট নীচে নেমেই শুরু করে। আর কিছু সময়ের মধ্যেই সেটা ৭৫৫ পয়েন্ট তলিয়ে যায়। অপরদিকে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ বা নিফটি ২০০ পয়েন্ট পড়েছে। এই পতনের জন্য আইটি-টেক স্টক ক্র্যাশ করে। এইচসিটি টেক শেয়ার পড়ে যায় প্রায় ১০ শতাংশ।
আজ কী হয় শেয়ারবাজারে?
বুধবার শুরুর সময় থেকেই খারাপ স্টার্ট করে শেয়ারবাজার। এ দিন সেনসেক্সের ওপেনিং হয় ৭৯,০১৯ পয়েন্টে। আগের দিনের ক্লোজিং ৭৯,২৭৩ পয়েন্ট থেকে কিছুটা নেমেই স্টার্ট হয়। আর কিছু মিনিটের মধ্যেই সেটা ৭৫৫ পয়েন্টের বেশি নেমে যায়। তারপর এটি মোটামুটি ৭৮,৫১৮ পয়েন্ট চলে আসে।
সেনসেক্সের মতো একই হাল ছিল নিফটিরও। এটি ওপেনিং করে ২৪,৪৭০ পয়েন্টে। আগের দিনের ক্লোজিং ২৪,৫৬৭ পয়েন্টে থেকে বেশ কিছুটা নেমেই শেষ করে। তারপর নিফটি ২০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। এটা ট্রেড করে মোটামুটি ২৪,৩৫২ পয়েন্টের আশপাশে।
টেক শেয়ারের অবস্থা খারাপ
আজ খুব পড়েছে সেনসেক্স এবং নিফটি। বিশেষত, আইটি স্টক এবং টেক কোম্পানিগুলি প্রচুর পড়েছে। এই যেমন ইনফোসিসের শেয়ার ৩ শতাংশ, টেক মাহিন্দ্রা শেয়ার ২.৫০ শতাংশ এবং টিসিএস ২.১০ শতাংশ পড়েছে।
এছাড়া আইসিআইসিআই স্টক ২ শতাংশ, বিইএল ১.৫০ শতাংশ, কোফোর্জের শেয়ার ২.৭০ শতাংশ এবং ইনফোসিসের শেয়ার ১.৯০ শতাংশ পড়েছে।
মার্কেট ক্র্যাশের কারণ কী?
আবার ইরান এবং আমেরিকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে হুমকি দিয়েছে। যার ফলে দাম বেড়েছে অপরিশোধিত তেল। আর সেই কারণেই খারাপ অবস্থা সেনসেক্স এবং নিফটির।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।