Advertisement

Share Market-এ ধস, উধাও ৭.৪১ লক্ষ কোটি! কেন হঠাৎ পতন সেনসেক্স-নিফটিতে?

সপ্তাহের শুরুতেই বড় ধাক্কা ভারতের শেয়ার বাজারে। ধসল সেনসেক্স এবং নিফটি। সোমববারই সেনসেক্স ১,১২৪.০২ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ পড়ে ৭২,৭৭১.৭২-তে নেমে এসেছিল। নিফটি ৫০-ও ৩৬০.২৫ পয়েন্ট বা ১.৫৬ শতাংশ নেমে ২২,৭৮০.২৫-এ দাঁড়ায়। সেই ধারাই অব্যাহত। 

শেয়ার মার্কেটে বড় পতন।শেয়ার মার্কেটে বড় পতন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:25 PM IST
  • সপ্তাহের শুরুতেই বড় ধাক্কা ভারতের শেয়ার বাজারে।
  • ধসল সেনসেক্স এবং নিফটি। সোমববারই সেনসেক্স ১,১২৪.০২ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ পড়ে ৭২,৭৭১.৭২-তে নেমে এসেছিল।
  • নিফটি ৫০-ও ৩৬০.২৫ পয়েন্ট বা ১.৫৬ শতাংশ নেমে ২২,৭৮০.২৫-এ দাঁড়ায়।

সপ্তাহের শুরুতেই বড় ধাক্কা ভারতের শেয়ার বাজারে। ধসল সেনসেক্স এবং নিফটি। সোমববারই সেনসেক্স ১,১২৪.০২ পয়েন্ট বা ১.৫২ শতাংশ পড়ে ৭২,৭৭১.৭২-তে নেমে এসেছিল। নিফটি ৫০-ও ৩৬০.২৫ পয়েন্ট বা ১.৫৬ শতাংশ নেমে ২২,৭৮০.২৫-এ দাঁড়ায়। সেই ধারাই অব্যাহত। প্রায় ছ’মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে দুই সূচক। শুধু সূচকের পতন নয়। বাজারে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট বাজারমূল্যেও রীতিমতো ধস নেমেছে।  

কিন্তু হঠাৎ এমন পতন কেন? এর পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় অনুঘটক অপরিশোধিত তেলের দাম।

১০৭ ডলারের কাছে ব্রেন্ট ক্রুড
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুড প্রায় ১০৭ ডলার প্রতি ব্যারেলের কাছে পৌঁছয়। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা এবং আমেরিকা-ইরান সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে তেলের সরবরাহ নিয়ে নতুন করে চিন্তা তৈরি হয়েছে।

ভারতের ক্ষেত্রে তেলের দাম বাড়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারতকে প্রয়োজনের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে কিনতে হয়। ফলে তেলের দাম বাড়লে আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে বাণিজ্য ঘাটতি এবং মূল্যবৃদ্ধির উপর। সংস্থাগুলির উৎপাদন ও পরিবহণ খরচও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত
তেলের বাজারে চাপ বাড়ার অন্যতম কারণ পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় এখনও স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে আশঙ্কা বেড়েছে। সেই সঙ্গে তেলের বাজারেও অস্থিরতা বাড়ে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রির হিড়িক
বাজারে পতনের আর একটি বড় কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রি। ২৮ সেপ্টেম্বর বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ৫,৩৫৩ কোটি টাকা তুলে নেন। সেপ্টেম্বর মাসে এক দিনে এটাই ছিল তাঁদের সবচেয়ে বড় নিট বিক্রির পরিমাণ। অন্য দিকে দেশীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫,১৮৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছিলেন।

বিদেশি টাকা বেরিয়ে গেলে বাজারে বিক্রির চাপ বাড়ে। বিশেষ করে বড় সংস্থার শেয়ারে তার প্রভাব দ্রুত দেখা যেতে পারে।

Advertisement

দুর্বল টাকা 
ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার দামও চাপের মধ্যে রয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে ডলারের তুলনায় টাকা ২০ পয়সা দুর্বল হয়ে ৯৫.৯৫-তে নেমেছিল বলে রিপোর্ট। তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগের চাপ টাকার উপরেও প্রভাব ফেলছে।

শুধু ভারত নয়, বিশ্ববাজারেও লাল সংকেত
ভারতীয় বাজারের পতন একেবারে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমেরিকার বাজারেও সোমবার ডাও জোন্স, S&P 500 এবং নাসডাক পড়েছে। একই সময়ে এশিয়ার একাধিক বাজারেও দুর্বলতা দেখা যায়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের নেতিবাচক পরিবেশও ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের মনোভাবে প্রভাব ফেলেছে।

এর সঙ্গে আমেরিকার ১০ বছরের সরকারি বন্ডের ফলনও ৫.২৭ শতাংশের কাছে পৌঁছেছে। বেশি বন্ড ইল্ড হলে তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমতে পারে। বাজারে তাই চাপ আরও বেড়েছে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement