Advertisement

Stock Market Crash: সকালেই ডুবে গেল ৬ লক্ষ কোটি টাকা, ৯০০ পয়েন্ট ক্র্যাশ সেনসেক্স, মাথায় হাত ইনভেস্টরদের

দিনের শুরুতে BSE-র মোট বাজার মূলধন (ক্যাপিটালাইজেশন) ছিল প্রায় ৪৮৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। সকালেই তা কমে প্রায় ৪৭৭.০৮ লক্ষ কোটি টাকায় নেমে আসে। অর্থাৎ বাজার থেকে মুছে গিয়েছে ৬.১৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

স্টক মার্কেট ক্র্যাশস্টক মার্কেট ক্র্যাশ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:06 AM IST
  • দিনের শুরুতে BSE-র মোট বাজার মূলধন (ক্যাপিটালাইজেশন) ছিল প্রায় ৪৮৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা
  • সকালেই তা কমে প্রায় ৪৭৭.০৮ লক্ষ কোটি টাকায় নেমে আসে
  • বাজার থেকে মুছে গিয়েছে ৬.১৭ লক্ষ কোটি টাকা

সপ্তাহের শুরুর দিনই শেয়ারবাজারে রক্তক্ষরণ। হু হু করে পড়ছে সেনসেক্স ও নিফটি। এ দিন সেনসেক্স প্রায় ৯০০ পয়েন্ট পড়ে যায়। আর নিফটি নেমে যায় ২৩,০০০-এর নীচে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি, আর্থিক সংস্থাগুলির স্টকে দুর্বলতা এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নতুন করে শেয়ার বিক্রি, এই তিন কারণেই বাজার লালে লাল।


হিসেব বলছে, দিনের শুরুতে BSE-র মোট বাজার মূলধন (ক্যাপিটালাইজেশন) ছিল প্রায় ৪৮৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। সকালেই তা কমে প্রায় ৪৭৭.০৮ লক্ষ কোটি টাকায় নেমে আসে। অর্থাৎ বাজার থেকে মুছে গিয়েছে ৬.১৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

এ দিন সকাল ১০টা নাগাদ সেনসেক্স ৮৮৩ পয়েন্ট পড়ে ৭৩,০১৫.২২-এ দাঁড়িয়ে ছিল। ও দিকে নিফটি ৫০ কমে ২৭২.৪৫ পয়েন্ট, ২২,৮৬৪.৮০-তে নেমে যায়। যার ফলে খুব খারাপ হাল হয় বিনিয়োগকারীদের। আর বাজারের এই ধসের নেপথ্যে ৩ কারণ রয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১০৬ ডলার পেরিয়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম
ভারতীয় শেয়ার বাজারের জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ অপরিশোধিত তেলের দাম। কারণ, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.২০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৬.৬১ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে WTI ক্রুডের দাম ১.৪৫ শতাংশ বেড়ে ৯৩.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। 

আসলে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তার  রয়েছে। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে চলছে অবরোধ। যার জন্য তেলের দাম বাড়ছে। আর তাতে পড়ছে ভারতের শেয়ারবাজার।

Geojit Investments Limited-এর Chief Investment Strategist ড. ভি কে বিজয়কুমার জানান, ব্যারেল প্রতি ১০৬ ডলারের ব্রেন্ট ক্রুড এবং ৫.২ শতাংশের মার্কিন ১০ বছরের বন্ড ইয়িল্ড বাজারের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, 'জুলাই ও অগাস্টে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বরে আবার তারা বিক্রি শুরু করেছে। এই পরিস্থিতি খুব কম সময়ের জন্য বাজারের উপর চাপ বজায় রাখবে।'

আবার ধাক্কা খেল আর্থিক সংস্থার শেয়ার
সোমবার আর্থিক সংস্থাগুলির শেয়ারগুলি বড় ধাক্কা খেয়েছে। গত সপ্তাহের দুর্বলতার পর এদিনও এই সেক্টরের শেয়ারে বিক্রির চাপ রয়েছে।

Advertisement

এ দিন Bajaj Finance-এর শেয়ার ১.৫৯ শতাংশ পড়েছে, Kotak Mahindra Bank ১.৩৮ শতাংশ, HDFC Bank ১.৩৭ শতাংশ, Bajaj Finserv ১.১৯ শতাংশ এবং ICICI Bank ০.৯৩ শতাংশ পড়েছে।

Nifty Financial Services 25/50 index ১.০৮ শতাংশ কমেছে। Nifty Private Bank index পড়েছে ১.১৪ শতাংশ। Financial Services Ex-Bank index ১.১১ শতাংশ এবং Nifty MidSmall Financial Services index ১.১৩ শতাংশ নেমেছে।

Insurance Regulatory and Development Authority of India (IRDAI)-এর প্রস্তাবিত বিমা কমিশন কাঠামোর পরিবর্তনের পর গত সপ্তাহ থেকেই আর্থিক সংস্থার শেয়ারে চাপ তৈরি হয়েছিল।

আবারও বিক্রি শুরু করেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে এখনও পর্যন্ত Foreign Portfolio Investors বা FPIs ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ১৯,০০০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। চলতি বছরে তাঁদের মোট বিক্রি ইতিমধ্যেই ২.৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

জুলাই এবং অগাস্টে FPIs 'বাই' করেছিল। কিন্তু এখন আবার তারা বিক্রি করছে। যার ফলে শেয়ারবাজারে পতন চলছে। 

এক্ষেত্রে Nifty Smallcap 100 ১.০৮ শতাংশ কমেছে। Nifty Midcap 100 পড়েছে ১.০১ শতাংশ এবং Nifty Midcap 50 কমেছে ০.৯৮ শতাংশ।

বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে Metal ১.৩৩ শতাংশ, Realty ১.৩০ শতাংশ, PSU Bank ১.২৬ শতাংশ, Private Bank ১.১৪ শতাংশ, Financial Services Ex-Bank ১.১১ শতাংশ এবং FMCG ১.০৬ শতাংশ পড়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement