
লক্ষ্মীবারে শেয়ারবাজারে রকেটের গতি। আমেরিকার মিডটার্ম ইলেকশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান হারতেই সেনসেক্স ও নিফটি লাফাচ্ছে। সেই সঙ্গে তেলের দামেও নেমেছে ধস। যার ফলে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি। সকালেই ইনভেস্টরদের লাভ হয়েছে ৬ লক্ষ কোটি টাকা।
আসলে সারা বিশ্বের শেয়ারবাজারই লাফাতে শুরু করেছে। পজিটিভ সংকেত আসছে সবদিক থেকেই। যার ফলে সকাল থেকেই লাফাচ্ছে সেনসেক্স ও নিফটি। এদিন সেনসেক্স বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ১৬০০ পয়েন্টের বেশি লাফিয়েছে। ওদিকে নিফটি উঠেছে ৪০০ পয়েন্ট। তাতেই ইনভেস্টরদের পকেটে ঢুকেছে টাকা।
সেনসেক্স ও নিফটিতে বিরাট গতি
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পজিটিভে রয়েছে ভারতের শেয়ারবাজার। যেখানে সেনসেক্স আগের দিন ৭৭,৩০১ পয়েন্ট শেষ করে, সেখানে আজ সকালেই সেটা ১৬২১ পয়েন্ট উঠেছে। এটি পৌঁছে গিয়েছে ৭৮,৯২২ পয়েন্ট। একই রকম ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে নিফটির ক্ষেত্রেও। বুধবার বিকেলে ২৩,৯৬০ পয়েন্টে এটি ক্লোজিং দেয়। তারপর এটি ৪২৩ পয়েন্ট লাফিয়েছে। এটি ২৪,৩৯২ পয়েন্টে পৌঁছে যায়। আর তাতেই কোটি কোটি টাকার লাভ হয়েছে।
কোন ১০ স্টকে বিরাট গতি?
এ দিন একাধিক স্টকে বিরাট গতি দেখা গিয়েছে। যেমন ধরুন- ইন্ডিগোর শেয়ার ৫ শতাংশ, বাজাজ ফিন্যান্স শেয়ার ৪.৬০ শতাংশ, এশিয়ান পেইন্টস শেয়ার ৪.২০ শতাংশ, মারুতি শেয়ার ৩.৭০ শতাংশ, এমঅ্যান্ডএম শেয়ার ৩.৪৯ শতাংশ, বাজাজ ফিনসার্ভ শেয়ার ৩ শতাংশ, ইনফোসিস শেয়ার ২.৮০ শতাংশ, এলটি শেয়ার ২.৭০ শতাংশ, এইচডিএফসি শেয়ার ২.৬৫ শতাংশ, টিসিএস শেয়ার ২.৫০ শতাংশ লাফিয়েছে। এছাড়া মার্কেটের অনেক স্টকের দামই রকেটের মতো উঠেছে।
কেন লাফাচ্ছে শেয়ারবাজার?
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকায় হেরে গিয়েছে ট্রাম্পের দল। মিডটার্ম ইলেকশনে প্রতিনিধি সভা ও সেনেট, দুই ক্ষেত্রেই ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। বড়সড় মুভ এসেছে মার্কেটে।
শুধু তাই নয়, ট্রাম্প হারতেই ক্রুড অয়েলের দাম অনেকটাই কমেছে। এটাও মার্কেটকে পজিটিভিটি দিয়েছে। এই যেমন খবরটি লেখার সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের নীচে নেমে গিয়েছে। আর তেলের দাম কমার ফলে বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দার ঝুঁকিও কমছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই কারণেই লাফাচ্ছে শেয়ারবাজার।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র একটা অনুমান দেওয়ার জন্য লেখা হয়েছে। এর বাস্তব প্রতিফলন যে ঘটবেই, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।