Advertisement

CBI arrests NTA-linked Lecturer: কীভাবে ফাঁস হয়েছিল NEET-এর প্রশ্নপত্র? মূলচক্রীকে গ্রেফতার করে জানাল CBI

সর্ষের মধ্যেই ভূত! ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল সিবিআই। তারা এই কাণ্ডের মূলচক্রী বা 'কিংপিন' হিসেবে পুনের এক রসায়নের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছ। যতদূর খবর, এই শিক্ষক একটি গোপন টিউশন সেশনের মাধ্যমে একাধিক পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন।

নিটের প্রশ্ন ফাঁসনিটের প্রশ্ন ফাঁস
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 May 2026,
  • अपडेटेड 8:52 AM IST
  • ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল সিবিআই
  • তারা এই কাণ্ডের মূলচক্রী বা 'কিংপিন' হিসেবে পুনের এক রসায়নের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছ
  • এই শিক্ষক একটি গোপন টিউশন সেশনের মাধ্যমে একাধিক পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন

সর্ষের মধ্যেই ভূত! ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল সিবিআই। তারা এই কাণ্ডের মূলচক্রী বা 'কিংপিন' হিসেবে পুনের এক রসায়নের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছ। যতদূর খবর, এই শিক্ষক একটি গোপন টিউশন সেশনের মাধ্যমে একাধিক পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন।


অভিযুক্তের নাম কী?
সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, অভিযুক্তের নাম পিভি কুলকার্নি। তিনি এনটিএ-এর পরীক্ষার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এনটিএ-এর ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট ইউজি পরীক্ষা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। সেই কারণে কুলকার্নির প্রশ্নপত্র জানতে পেরেছিলেন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

আর চাঞ্চল্যকল খবর হল, এই শিক্ষক শুধু এবার নয়, বহু বছর ধরে তিনি নিট-এর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেলের সদস্য ছিলেন বলেও জানিয়েছেন সিবিআই-এর গোয়েন্দারা। সংবাদসংস্থা PTI সূত্রে জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত কলেজ অধ্যাপক কুলকার্নিকে ১৪ মে, বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে সিবিআই। চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তারপর চাঞ্চল্যকর সব তথ্য মেলে।

সিবিআই-এর অভিযোগ, অপর অভিযুক্ত মনিষা ওয়াঘমারের সহায়তায় কুলকার্নি এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে পুনেতে নিজের বাড়িতে একটি গোপন কোচিং সেশন শুরু করেন। সেখানে পরীক্ষার প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর ফাঁস করে দেন। এই কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মনিষা ওয়াঘমারেকেও বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়েছে।

CBI এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'স্পেশাল কোচিং ক্লাস চলাকালীন ওই রসায়নের অধ্যাপক প্রশ্ন, অপশন এবং সঠিক উত্তর বলে দিতেন। ছাত্রছাত্রীরা সেগুলি নিজেদের খাতায় লিখে নিত। পরে দেখা যায়, সেই প্রশ্নগুলিই হুবহু ৩ মে ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে গিয়েছে।'

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ওই গোপন সেশনে অংশ নিতে পরীক্ষার্থীরা কয়েক লক্ষ টাকা করে দিয়েছিল। সিবিআই আরও জানিয়েছে, তদন্তে রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁসের আসল উৎস সামনে এসেছে।

এখনও পর্যন্ত কতজন গ্রেফতার?
এই মামলা হাতে নেওয়ার পর একের পর এর গ্রেফতারি করেছে সিবিআই। ১৪ মে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই মামলায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে এই কেন্দ্রীয় গোয়ান্দা সংস্থা। এক্ষেত্রে গ্রেফতার হওয়া দু’জন হলেন মাঙ্গি লাল এবং দিনেশ বিওয়াল। এরা রাজস্থানের জয়পুর জেলার বাসিন্দা।

Advertisement

সিবিআই গ্রেফতার করার আগে তারা রাজস্থান পুলিশের হেফাজতে ছিল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র হিসেবে কাজ করেছে। রাজস্থানের সিকার থেকে এই চক্র দেশের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও অভিযোগ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পরিবার অতীতেও মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযোগ, মাঙ্গি লাল ও দিনেশ বিওয়াল শুধু এ বছরের প্রশ্নই সিকারের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে ফাঁস করেননি, অতীতেও নিজেদের পরিবারের জন্য মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্ন জোগাড় করে পরে অন্যদের কাছে বিক্রি করেছিলেন।

মাথায় রাখতে হবে, এই বছর নিট ইউজি পরীক্ষা ৩ মে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নেন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগে পরীক্ষাটি বাতিল করে দেওয়া হয়। তারপর শুরু হয় তদন্ত। আর সেই তদন্তেই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে। এমনকী গ্রেফতারও হয়ে চলেছে।

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement