Advertisement

CBSE New Language Policy 2026: CBSE-এর সিলেবাসে বিরাট বদল, এবার থেকে ৩ ভাষা পড়তেই হবে পড়ুয়াদের

CBSE-র পড়ুয়াদের জন্য বড় পরিবর্তন। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণিতে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা CBSE। তবে স্বস্তির খবর, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার কোনও আলাদা পরীক্ষা দিতে হবে না।

ক্লাস নাইনে ৩টি ভাষা আবশ্যিক করল CBSE, সিলেবাসে বড় বদলক্লাস নাইনে ৩টি ভাষা আবশ্যিক করল CBSE, সিলেবাসে বড় বদল
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 17 May 2026,
  • अपडेटेड 1:24 PM IST
  • CBSE-র কারিকুলামে বড় পরিবর্তন।
  • নবম শ্রেণিতে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক করল CBSE।
  • আগামী ১ জুলাই থেকে নয়া নিয়ম কার্যকর হবে।

CBSE New Language Policy 2026: CBSE-র কারিকুলামে বড় পরিবর্তন। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম শ্রেণিতে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন বা CBSE। তবে স্বস্তির খবর, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার কোনও আলাদা পরীক্ষা দিতে হবে না। স্কুল স্তরেই হবে মূল্যায়ন। 

১৫ মে ২০২৬-এ জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে CBSE জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য তিন ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক হবে। এই নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই। জাতীয় শিক্ষানীতি বা NEP 2020-এর তিন ভাষা নীতির অংশ হিসাবেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।

অন্তত দু’টি ভারতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পড়ুয়াদের R1, R2 এবং R3 নামে তিনটি ভাষা পড়তে হবে। তার মধ্যে অন্তত দু’টি ভাষা ভারতীয় ভাষা হওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে বোর্ড।

বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ থাকছে। তবে সেটি তৃতীয় ভাষা হিসাবে নেওয়া যাবে শুধুমাত্র তখনই, যখন বাকি দু’টি ভাষা ভারতীয় হবে। চাইলে অতিরিক্ত চতুর্থ বিষয় হিসাবেও বিদেশি ভাষা নেওয়া যেতে পারে।

CBSE-র বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, '১ জুলাই ২০২৬ থেকে নবম শ্রেণিতে তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক হবে এবং তার মধ্যে অন্তত দু’টি ভারতীয় ভাষা হতে হবে।'

দশমে তৃতীয় ভাষার বোর্ড পরীক্ষা নেই
উল্লেখ্য, ক্লাস নাইনে ৩টি ভাষা পড়তে হলেও, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষার কোনও আলাদা পরীক্ষা হবে না। স্কুলই অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেবে।

বোর্ড জানিয়েছে, পড়ুয়াদের উপর বাড়তি চাপ এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃতীয় ভাষার নম্বর চূড়ান্ত সার্টিফিকেটে উল্লেখ থাকবে ঠিকই, কিন্তু সেই বিষয়ে নম্বর কম হলে বা সমস্যা থাকলে কোনও পড়ুয়াকে বোর্ড পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়া হবে না।

ধাপে ধাপে কার্যকর হবে নতুন নিয়ম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ ইতিমধ্যেই এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয়ে যাওয়ায়, আচমকা পরিবর্তনের বদলে ‘ট্রানজিশনাল অ্যাপ্রোচ’ নেওয়ার কথা জানিয়েছে CBSE। অর্থাৎ স্কুলগুলিকে ধীরে ধীরে নতুন নিয়মের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

Advertisement

বোর্ডের দাবি, এই বদলের ফলে যাতে কোনও পড়ুয়ার পড়াশোনায় সমস্যা না হয়, সে দিকে নজর রাখা হবে। মূল জোর থাকবে শেখার উপরে, কড়া নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার উপরে নয়।

নতুন ভাষা চালু করতে গিয়ে শিক্ষক সঙ্কট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই কিছু নমনীয় নিয়ম এনেছে CBSE।

স্কুল চাইলে অন্য বিষয়ের এমন শিক্ষককে ভাষা পড়ানোর দায়িত্ব দিতে পারবে, যাঁর ওই ভাষায় দক্ষতা রয়েছে। প্রয়োজনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, হাইব্রিড ক্লাস বা সাহোদয়া স্কুল ক্লাস্টারের মাধ্যমে রিসোর্স ভাগ করে নেওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

স্কুলগুলিকে ৩০ জুনের মধ্যে OASIS পোর্টালে নিজেদের ভাষার তালিকা আপডেট করতে বলা হয়েছে।

আপাতত ষষ্ঠ শ্রেণির বই পড়ানো হবে
তৃতীয় ভাষার জন্য নতুন বই এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি। তাই আপাতত নবম শ্রেণির পড়ুয়ারা ষষ্ঠ শ্রেণির বই ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

CBSE-র দাবি, ভাষার মূল দক্ষতার ক্ষেত্রে প্রায় ৭৫-৮০ শতাংশ মিল রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় সাহিত্য, কবিতা, ছোটগল্প এবং নন-ফিকশন লেখাও পড়ানো হবে। ১৫ জুনের মধ্যে বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করতে পারে বোর্ড।

বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড়
প্রতিবন্ধী পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। RPWD Act 2016 অনুযায়ী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় ভাষা থেকে ছাড় পেতে পারে।

এ ছাড়া বিদেশ থেকে ভারতে ফেরা পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও আলাদা ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিদেশে থাকা CBSE স্কুলগুলির জন্যও কিছু নমনীয়তা রাখা হয়েছে।

শিক্ষামহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভারতের বহুভাষিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে বোর্ড পরীক্ষার চাপ কম রেখে বাস্তব সমস্যাগুলিও মাথায় রাখার চেষ্টা করেছে CBSE। 

Read more!
Advertisement
Advertisement