
ভারতে কিন্ডারগার্টেন, প্রিস্কুল বা প্লেস্কুল খোলা একটি দারুণ সুযোগ, বিশেষ করে যেহেতু নতুন শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০ প্রারম্ভিক শৈশবের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছে। বর্তমানে প্রিস্কুল খোলার জন্য কোনও একক রাষ্ট্রীয় লাইসেন্সিং ব্যবস্থা নেই, তবে আপনাকে রাজ্য এবং স্থানীয় স্তরের কিছু নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। আপনি যদি স্বল্প বিনিয়োগে একটি সম্মানজনক এবং উচ্চ-লাভজনক ব্যবসার সন্ধান করেন, তবে একটি কিন্ডারগার্টেন শুরু করা সঠিক পছন্দ হতে পারে।
এই বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দিন
শিশুরা কী শেখে?
কিন্ডারগার্টেন শিশুদের জন্য বাড়ি ও স্কুলের মধ্যে একটি সুন্দর সেতুবন্ধন। এখানে শিশুরা শুধু পড়াশোনাই করে না, জীবনের সূক্ষ্ম বিষয়গুলোও শেখে। যখন একটি শিশু প্রথমবারের মতো তার বাড়ির চার দেয়াল ছেড়ে বাইরে আসে, তখন সে প্রথম উপলব্ধি করে যে তার নিজের জগতের বাইরেও একটি জগৎ আছে। তারা অন্য শিশুদের সঙ্গে তাদের খেলনা ভাগ করে নিতে, একসঙ্গে খেলতে এবং নতুন বন্ধু তৈরি করতে শেখে। তবে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোনও ভারী ব্যাগ বা মুখস্থ বিদ্যার বোঝা থাকে না। গল্প, কবিতা এবং গানের মাধ্যমে শিশুদের বিভিন্ন শব্দ ও অক্ষরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। খেলার ছলে তাদের রং, আকার এবং অঙ্ক শেখানো হয়।
প্রিস্কুল খোলা আপনার শহরের উপর নির্ভর করে
একটি প্রিস্কুল শুরু করার খরচ আপনার শহর এবং ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে। প্রায় ৫-১০ লক্ষ টাকায় একটি ছোট মডেল খোলা যেতে পারে। একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির খরচ প্রায় ১০-২৫ লক্ষ টাকা। বড় শহরগুলিতে প্রিমিয়াম মডেলের খরচ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বা তার বেশি হতে পারে। প্রিস্কুলগুলিকে মন্দা-প্রতিরোধী ব্যবসা হিসাবে বিবেচনা করা হয় কারণ শিক্ষার চাহিদা সর্বদা থাকে। যদি আপনার ৮০-১০০ জন শিশু থাকে এবং গড় মাসিক ফি ২,০০০-৪,০০০ টাকা হয়, তবে আপনার মাসিক আয় ২-৪ লক্ষ টাকা হতে পারে।