
টাকার অভাবে যাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা মাঝপথে থমকে না যায় তার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও নানা ধরণের স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে। তেমনই এক অসাধারণ উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে হিরো ফিনকর্প। তারা রমনকান্ত মুঞ্জাল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু করেছে বিশেষ রমনকান্ত মুঞ্জাল স্কলারশিপ। উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে যোগ্য প্রার্থীরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্টাইপেন্ড পেতে পারেন। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এটি একটি দারুণ সুযোগ।
রমনকান্ত মুঞ্জাল স্কলারশিপে আবেদনের জন্য কী কী যোগ্যতা লাগবে
এই স্কলারশিপের সুবিধা পেতে গেলে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণ করতে হবে। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ভারতের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। এর পাশাপাশি মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অন্তত ৮০ শতাংশ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। আবেদনকারী প্রার্থীর পরিবারের বার্ষিক আয় ৬ লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না। শুধুমাত্র যেসব শিক্ষার্থী কোনও পেশাদার কোর্সে ভর্তি হয়েছেন তারাই এতে আবেদন করতে পারবেন। এসব কোর্সের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিকম ব্যাচেলর অফ ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিবিএ ইন্টিগ্রেটেড প্রোগ্রাম ইন ম্যানেজমেন্ট ব্যাচেলর ইন বিজনেস স্টাডিজ বিএফআইএ এবং ব্যাচেলর অফ ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স।
কত টাকা পর্যন্ত স্কলারশিপ পাওয়া যাবে
রমনকান্ত মুঞ্জাল স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টানা তিন বছরের জন্য স্টাইপেন্ড দেওয়া হয়। স্কলারশিপের এই অর্থের পরিমাণ প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে কত টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে তা নির্ভর করবে শিক্ষার্থীর নির্দিষ্ট কোর্স ও কলেজের ফি কাঠামোর ওপর। এই সাহায্য পেলে দুস্থ ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা খুব সহজেই উচ্চশিক্ষার আর্থিক চাপ সামলে নিজেদের পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।
অনলাইনে আবেদন করার সহজ পদক্ষেপ
এই স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বর্তমানে বডি ফোর স্টাডি অর্থাৎ অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এই স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। প্রথমে পোর্টালের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর রমনকান্ত মুঞ্জাল স্কলারশিপ অপশনটি খুঁজে বের করতে হবে। নতুন আবেদনকারী হলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিজের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শেষ হলে আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত যাবতীয় বিবরণ নিখুঁতভাবে পূরণ করতে হবে। এর সাথে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মার্কশিট এবং আয়ের শংসাপত্র সহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করে আবেদনপত্রটি জমা দিতে হবে।