Advertisement

'চলতি বছরের শেষেই...' Software Engineer দের ভয় ধরালেন Claude Code কর্তা

চলতি বছরের শেষে আর সাধারণ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলে কিছু থাকবে না। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অ্যানথ্রপিকের Claude Code-এর নির্মাতা Boris Cherny। তাঁর দাবি, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার’ নামে পরিচিত প্রচলিত চাকরির ধারণাই বদলে যেতে পারে।

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং আর আগের মতো থাকবে না, বলছেন Claude Code নির্মাতা।সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং আর আগের মতো থাকবে না, বলছেন Claude Code নির্মাতা।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 31 May 2026,
  • अपडेटेड 8:38 PM IST
  • চলতি বছরের শেষে আর সাধারণ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলে কিছু থাকবে না। 
  • এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অ্যানথ্রপিকের Claude Code-এর নির্মাতা Boris Cherny।
  • চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার’ নামে পরিচিত প্রচলিত চাকরির ধারণাই বদলে যেতে পারে।

চলতি বছরের শেষে আর সাধারণ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বলে কিছু থাকবে না। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অ্যানথ্রপিকের Claude Code-এর নির্মাতা Boris Cherny। তাঁর দাবি, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার’ নামে পরিচিত প্রচলিত চাকরির ধারণাই বদলে যেতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সমস্ত চাকরি রাতারাতি উধাও হয়ে যাবে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চের্নি জানান, AI-নির্ভর কোডিং টুলের দ্রুত উন্নতির ফলে সফ্টওয়্যার তৈরির কাজের ধরন বদলাচ্ছে। এখন শুধু ইঞ্জিনিয়াররাই নন, ডিজাইনার, প্রোডাক্ট ম্যানেজার এমনকি সংস্থার ম্যানেজাররাও AI-এর সাহায্যে সফ্টওয়্যার তৈরি করে ফেলছেন।  

কোড লিখছে AI, বদলাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ
চের্নির মতে, সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের সময় এখন আর শুধুমাত্র কোড লেখার পিছনে ব্যয় হচ্ছে না। বরং AI-কে নির্দেশ দেওয়া, পরিকল্পনা করা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো এবং সমস্যার সমাধান করার মতো কাজে তাঁদের ভূমিকা বাড়ছে। তাঁর কথায়, ভবিষ্যতে হয়তো তাঁদের আর ‘ইঞ্জিনিয়ার’ বলা হবে না। নতুন কোনও পরিচয়ে এই পেশা পরিচিত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, গত ছয় মাসে তিনি নিজে একটি লাইন কোডও লেখেননি। Claude AI-ই তাঁর অধিকাংশ কোডিংয়ের কাজ সামলেছে। চের্নির বক্তব্য, AI-এর কারণে প্রযুক্তি জগতের বিভিন্ন পেশার মধ্যে পার্থক্য ধীরে ধীরে কমে আসছে।

তা হলে কি ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি শেষ?
এই প্রশ্নের উত্তরে চের্নি স্পষ্ট জানিয়েছেন, AI এখনও সব ধরনের সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ করতে সক্ষম নয়। বিশেষ করে বৃহৎ সংস্থার জটিল সফ্টওয়্যার সিস্টেম এবং বিশাল কোডবেস পরিচালনার ক্ষেত্রে AI-এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাঁর মতে, কোড লেখা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাত্র একটি অংশ। এর বাইরেও পরিকল্পনা, বিশ্লেষণ, সমস্যা নির্ণয় এবং নতুন পণ্য তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। তাছাড়া AI কে নির্দেশ দেওয়ার জন্যও সফটওয়্যার ও তার প্রয়োগের আইডিয়া থাকা প্রয়োজন। 

চাকরির বাজারে কী প্রভাব পড়তে পারে?
চের্নির মতে, AI-এর প্রভাব সব সংস্থার ক্ষেত্রে এক রকম হবে না। কিছু সংস্থা হয়তো কম কর্মী নিয়োগ করেই বেশি কাজ করতে পারবে। আবার অনেক সংস্থা AI-এর সাহায্যে দ্রুত নতুন পণ্য তৈরি করতে পারবে বলে আরও বেশি কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনও হতে পারে।

Advertisement

তাঁর দাবি, AI-এর কারণে সফ্টওয়্যার তৈরি অনেক সহজ হয়ে যাওয়ায় স্টার্টআপ গড়ার জন্য বর্তমানে সময় অত্যন্ত অনুকূল। ছোট দলও এখন এমন কাজ করতে পারছে, যা আগে বড় সংস্থার পক্ষেই সম্ভব ছিল।

নতুন যুগের সূচনা?
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, AI সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের সম্পূর্ণ সরিয়ে দেবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এটুকু নিশ্চিত যে প্রযুক্তি ক্ষেত্রের চাকরির ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। কোড লেখার পাশাপাশি AI পরিচালনা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement